সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ৬ আষাঢ় ১৪২৮ , ১০ জিলকদ ১৪৪২

সাহিত্য

একটি ছুরি অথবা কুড়িটা ঘুমের পিল

রেজাউল ইসলাম হাসু ৮ মে , ২০২১, ১৪:১৪:১৩

  • ছবি: সংগৃহীত

‘পৃথিবী একটা অবাধ্য জায়গা। সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে বাধ্য হয়ে বেঁচে থাকার নামই জীবন। ভুল না বুঝে মমকে মনের মধ্যে মানিয়ে নেবার চেষ্টা কর, দুপুর।’ বলেই মা কেমন যেন একটা কদর্য কাশি দিয়ে উঠলেন। কাশিটার আয়ু দীর্ঘক্ষণ হলে তিনি অনেকটা হাঁফিয়ে ওঠেন কথাপোকথন চলাকালেই, আমি বুঝতে পারি। নাড়ির টান বলে কথা।

‘মা, নিজের প্রতি একটু খেয়াল-টেয়াল রেখো। এভাবে অবজ্ঞা করো না। আমাদের জন্য না হলেও নিজের জন্য তোমার বেঁচে থাকাটা জরুরি’ মমের কথা বলতে গিয়ে মায়ের কথাই মাকে ফিরতি দিলে মা বার্ধ্যক্যের অজুহাত দেখান।

‘বয়স হয়েছে তো। এখন একটু-আধটু এসব হয়। তেমন কিছু না বাবা। এখন তো তোমাদের খেয়াল রাখাই আমার কাজ। ভুল না বুঝে মমকে মনের মধ্যে মানিয়ে নেবার চেষ্টা কর।’ আরেকবার মনে করিয়ে দিতে মায়ের যেন ভুল হয় না।

‘মমকে তো মানিয়ে নিয়েছি। মনের ভেতর এখন কোনো ঝামেলা নেই আমাদের। এই তো আমরা এখন আগামীর গল্প করছি। আঙুলে আঙুল ডুবিয়ে সম্পর্কটা গাঢ় হয়ে উঠছে আমাদের।’ মমের মুখের দিকে তাকিয়ে মাকে কথাগুলো বলতেই মা কেমন যেন লজ্জা পেয়ে ‘আচ্ছা, পরে কথা বলব’ বলেই কলটা কেটে দিলেন। তারপর মম আর আমি, আমি আর মম- আমাদের শুরু হলো সংখ্যাহীন গল্প।

‘ওই যে আমাদের প্রথম পরিচয়ের গল্পটা মনে আছে, মম? ওই যে তোমাকে চিঠি লেখার গল্পটা। একটা ছেলে তোমাকে চিঠি লিখে রোজ বিরক্ত করত। একদিন তোমার বড় ভাইদের বিষয়টা জানালে তারা আমাকে সেই ছেলেটা ভেবে আমার হাতপা ভেঙে দিলো। আমার বাঁচবার আশা ছিল না। তিনদিন পর জ্ঞান ফিরলে চোখের পাতা মেলে প্রথম তোমাকেই দেখেছিলাম আরোগ্য হসপিটালে। আর তুমি আমার হাত ছুঁয়ে মাফ চেয়ে একটা চিঠি গুঁজে দিয়েছিলে। সেদিনের এক স্পর্শ থেকে সংখ্যাহীন স্পর্শের শুরু হলো। একটা চিঠি থেকে হাজারটা চিঠির সৃষ্টি হলো। ওই গল্পটার জন্ম না হলে আমাদের এই সম্পর্কেরও জন্ম হতো না। আর আজকে একই ছাদের নিচে মুখোমুখি বসে পরস্পরকে ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্যও হতো না। তাই না মম?’

মম হু-হা কিছুই বলে না। কেবল আমার দিকে তাকিয়ে থাকে নিবদ্ধ দৃষ্টিতে। আর গভীর অনুধ্যানের সঙ্গে আমার গল্প শোনে। আমি একের পর এক গল্প বলেই যাচ্ছি। বলেই যাচ্ছি আর আপনমনে হাসছি। মম যেন বরফের মতো জমে আছে। সে হাসছেও না, কোনো মন্তব্যও করছে না। তবে আমি ধরে নিয়েছি যে, মম ঠিক আছে। আর ও যা বলছে মম তা মনোযোগ দিয়েই শুনছে। আমাদের সম্পর্ক এখন মাছ ও জলের মতো একাকার। এভাবেই কাটছে আমাদের কদিন ধরে। আশপাশের লোকজনও ধরে নিয়েছে যে, আমাদের মাঝে যে ছুরিটা ছিল তা ভেঙে গেছে।

২.

মমের দাঁত ব্রাশ করা থেকে শুরু করে হাতমুখ ধুয়ে দেয়া, কফি করে দেয়া, টেবিলে প্রিয় নাশতাটা খাইয়ে দেয়া, লাঞ্চে কী খাবে তার ব্যবস্থা করা পর্যন্ত ঘরের সব কাজকর্ম সকালে অফিসে যাবার আগে সেরে অফিসে যাই। আবার অফিসের কাজ দ্রুত শেষ করে তাড়াতাড়ি বাসাতেও ফিরতে ভুলি না। আগের মতো আর লেট করি না। মমের সঙ্গে বিকেলের স্ন্যাকস শেষে রাতের জন্য ডিনার তৈরি করি। রাবুকে দেখে মনে হয় আমাদের এভাবে দেখে ও খুব সুখেই আছে। কারণ কদিন থেকে ও আর অকারণে ঘেউঘেউ করছে না। বিশ্বস্ততা বজায় রেখে চলছে। আমি মমকে টেলিভিশনের দিকে মুখ করে সোফায় বসিয়ে ‘জি বাংলা’ চ্যানেলটা অন করে কিচেনে মগ্ন হয়ে যাই। মমের পাশে হাঁটুমুড়ে বসে রাবু মমকে পাহারা দেয় ওয়্যাচম্যানের মতো। যেন কোনো এক অনুগত বান্দা ঈশ্বরের সেবায় নিমগ্ন হয়ে আছে।

রাতের ডিনার শেষে আমরা আবার মুখোমুখি হয়ে বসি। যেন ও বনলতা সেন আর আমি জীবনানন্দ দাশ। নিবদ্ধ দৃষ্টিতে দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে থাকি। আঙুলে আঙুল ডুবিয়ে গল্পের সমুদ্রে শব্দের জাহাজ ভাসাই। শব্দ ঢেউয়ের মতো ভেঙে ভেঙে ভেসে যায় অজানা দূরে, কোনো এক দুর্গমদ্বীপে। হয়তো আমাদেরই মতো দুটো জীবনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে শতকের পর শতক ধরে সেই দ্বীপ। বোবা চাঁদটা কী যেন বলতে চেয়েও বলতে পারে না। বলতে না পারা এ রকম হাজার কথা বুকে চেপে থোকা থোকা অন্ধকারে শুয়ে থাকে রাত। কদিন থেকে বাসায় কোনো অপ্রীতিকর সোরগোল শুনতে না পেরে লোকজন ধরে নিয়েছে যে, আমাদের নিঃসঙ্গতার মেঘ কেটে গেছে। এবার রোদ ফুলে ফুলে ছেয়ে যাবে ক্লেদাক্ত ফ্ল্যাটটা। শরতের শাদা শাদা মেঘের শামিয়ানার নিচে হাঁটতে হাঁটতে আমার পৃথিবীতে সত্যিই যেন দুপুর নেমে এসেছে।

‘আরে, সারুন’ বলেই সজোরে আমাকে ধাক্কা মেরে রাস্তার ডানদিকে ফেলে দেন সহকর্মী আমিন। ‘আরে, আপনি মরতে চান নাকি!’ চলন্ত বাসটা শকুনের মতো আমাদের ছোঁ মেরে শাঁ করে চলে গেলে আমাকে অপার আশ্চর্যে বলে উঠেন তিনি।

‘মরে যাওয়া মানুষ কতবার মরবে বলেন। আমি তো কবেই মরে গেছি।’ আমি মাটি থেকে রুগ্নের মতো উঠে আমিনের সামনে দাঁড়িয়ে বিদঘুটে বাক্য দুটো বলি-‘কীসব বলেন দুপুর ভাই!’ আমার কথার আগামাথা কিছুই না বুঝে বলে আমিন। কেবল ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বাম হাতে মাথার চুলগুলোর কুল-কিনারা হাতড়াতে থাকেন।

কদিন হয়ে গেল মায়ের কোনো ফোনকল নেই। তার মানে? তার মানে ছেলেমেয়েরা সুখে থাকলে মায়েরা নিশ্চিন্তে জীবন সাঁতরান। হয়তোবা। মমের শরীরটা ভালো নেই। ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন কিন্তু এ রকম ডাক্তার পাবো কোথায়? আজকের রাতটা ফুরাতে চাচ্ছে না। মমের মুখটা মলিন হয়ে আছে। বিকেল থেকে কিছুই খাচ্ছে না। রাবুটাও পরম বিশ্বস্ততার সঙ্গে জেগে আছে আমার মতোই। আমরা যেন আজন্ম জাগরুক।

ওই ঘটনার পর থেকে মম যেন একেবারে চুপচাপ হয়ে গেছে। তার এই চুপচাপের ভেতর সবকিছু সামলে নেবার কঠোর কসরত করছি আমি। দীর্ঘ পরিশ্রান্তের পর সূর্য যেভাবে আবার পুবদিক থেকে তার পরিভ্রমণ শুরু করে, ঠিক সেভাবে নতুন করে মমের জীবন-জগতে যেন আমারও আবর্তন শুরু হয়েছে। দুজনের একটা ঘনিষ্ঠ যুগল সেলফি তুলে নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করে সবাইকে বোঝাতে চাইলাম যে, আমাদের সময় খুব ভালো যাচ্ছে। বিপুল লাইক, কমেন্টেসে ঘনিষ্ঠভাবে তোলা যুগল সেলফিটার যেন পাখা গজায়। উড়তে থাকে চৌহদ্দি জুড়ে।

‘এই বন্ধন বেঁচে থাক বিপুল বছর।’ মা সেলফিটা দেখে কমেন্টস করেছেন এক বাক্যে। মায়ের কমেন্টস পড়ে আমি মুচকি হাসি। আমার হাসিতে তেমন কোনো রঙ নেই। নবাগত কুয়াশায় জানালাটা যেন ঝাপসা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ভেতর থেকে বাইরটাকে অনেক অচেনা লাগছে। সবকিছু কেবল আবছা আবছা লাগছে আমাদের।

৩.

‘কাজটা কালকেও করতে পারবেন। কিছু সময় পরিবারের জন্য ব্যয় করুন। না হলে দেখবেন পরিবারটাই ফসকে গেছে আপনার সময় থেকে।’ সহকর্মী মেহেদির উদ্দেশে কথাগুলো বলেই হাতঘড়িটার দিকে শেষবারের মতো তাকাই আমি।

‘আপনি তো দার্শনিকের মতো বললেন। নিশ্চয়ই স্যার আজকাল দর্শন পড়া শুরু করেছেন।’ বাক্যগুলো একটু ইয়ার্কির ছলে বলেই অল্পজোরে হেসে দিলেন মাহাতাব।

‘পাঁচটা বেজে গেছে। আমাকে এক্ষুণি বেরোতে হবে। আর দর্শনের কথা বলছিলেন না। হ্যাঁ, মাঝেমধ্যে দর্শনেও ডুবসাঁতার দিতে হয়। না হলে দেখবেন- জীবনটা মার্কেটিং সাবজেক্টের মতোই নিরস হয়ে গেছে।’ বলেই হাতব্যাগটা হাতে নিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে পড়ি। এত দ্রুততার সঙ্গে বেরোই যেন অনেক তাড়া আছে আমার।

‘জীবনে তাড়া থাকতে পারে কিন্তু এতটা তাড়া আমি কখনোই বুঝি বোধ করিনি।’ ফস করে বলেই ফেললেন এতক্ষণে স্তব্ধতার শিকল ভেঙে কোলাহলে দপ করে জ্বলে ওঠা সহকর্মী কামরুল।

‘থাকেন তো অফিস কোয়ার্টারে। তার ওপর মাথায় এখনো পাগড়ি পরেননি। বলি, পরিবারের টান থাকলে তো তাড়িত হবেন।’ অফিস থেকে তাড়া নিয়ে বের হয়ে যাবার গুরুত্বটা বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই মিজানকে বুঝিয়ে মাহাতাবও বের হয়ে যান। আস্তে আস্তে অফিসটা খালি হতে থাকে। একের পর এক সকলে চলে গেলে অফিসটা একা পড়ে থাকে। আর তার একাকিত্ব ঘিরে থাকে থোকা থোকা অন্ধকার ফুল।

দরজা খুলেই আমার চোখে পড়ে ঘরগুলো যেন ভেসে আছে ঘন অন্ধকারে। প্রথম পা ফেলতেই কিছু একটার সঙ্গে হোঁচট খেলে মেঝেতে ধপ করে পড়ে যেন মেঝের সঙ্গে একাকার হয়ে গেলাম। উহ বাচক শব্দে কুঁকড়ে ওঠি। উবু হয়ে কিছুক্ষণ মেঝেতে পড়ে থাকি সরীসৃপের মতো। এভাবে মিনিট দশেক থাকার পর আস্তে আস্তে সামনে ছড়িয়ে থাকা সোফার দিকে এগোতে থাকি। সোফার বাঁকানো গোলাকার হাতল ধরে উঠে দাঁড়ানোর কসরত করে প্রথমবার ব্যর্থ হই। দ্বিতীয়বারও ব্যর্থ হই। তৃতীয়বারের বেলায় কঠোর কসরতের ফলে উঠে দাঁড়াতে সক্ষম হই। অন্ধকারের অন্তর্জালে ঠিকমতো কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আবছা আবছা দেখতে পাওয়া সোফায় কোনোরকমভাবে বসে পড়ি। ডান পায়ে ভীষণরকমের একটা চোট চেপে আছে।

রাবুটাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। এই অন্ধকারে কোথায় কী করছে কে জানে। পায়ে বরফ লাগাতে হবে। বরফে কিছুটা হলেও প্রাথমিকভাবে যন্ত্রণার উপশম হবে। প্যান্টের আস্তিনে হাত ঢোকাই। ভিভো-০৬ মিরুন রঙের মোবাইল সেটটা বের করে ফ্লাশলাইট অন করি। ফ্লাশলাইটের ক্ষুদ্র-চিকন আলোর পথ ধরে এক-পা দু-পা করে কিচেনের দিকে এগোই। কিছু একটার শব্দ বাতাসে ভেসে আসছে কিচেন থেকে, বুঝতে পারি। কেমন যেন কাচা মাংসের একটা উৎকট গন্ধ বাতাসে মিশে একাকার হয়ে আছে চারদেয়ালের ভেতর। নাকে গন্ধটা ধাক্কা খাচ্ছে বারবার। বুকপকেট থেকে গোলাপি রুমালটা বের করে নাক-মুখে ঠেসে ধরি। এক হাতে নাক-মুখ রুমালে ঠেসে আরেক হাতে ফোনটা ধরে ফ্লাশলাইটের ক্ষুদ্র-চিকন আলোর পথ ধরে কিচেনের দিকে এগোতে থাকি আমি।

কিচেনের কাছে পৌঁছুতেই আগে থেকে খুলে হাঁ মেলে তাকিয়ে থাকা দরজাটা যেন অনেক কিছু বলে দেয় আমাকে। ‘তাহলে কী আমি দরজা এভাবে রেখেই অফিসে গিয়েছিলাম, নাকি...!’ আপনমনে নিজেকেই প্রশ্ন ছুড়ে অপার আশ্চর্য হই। আবার তার কোনো উত্তর না পেয়ে হরেক হতাশায় হতাহত হয়ে ভেতরে ভেতরে থুবরে পড়ি। কাঁচা মাংসের বাজে গন্ধটা আগের চেয়ে আরো তীব্রভাবে আমার নাকে এসে ধাক্কা খাচ্ছে। রুমালটা আরেকটু শক্তভাবে নাক-মুখে ঠেসে ধরে কিচেনে ঢুকেই যেন আকাশ থেকে পড়ি। ডিপ ফ্রিজের রঙিন দরজাটা হাঁ মেলে তাকিয়ে আছে রাবুর দিকে। আর রাবু হাঁটুমুড়ে মমের যোনির উপর বসে শরীরটা ধনুকের মতো টান করে ওর ফর্সা মুখের নরোম মাংস খাবলে খাবলে খাচ্ছে। এ অবস্থায় দপ্ করে জ্বলে উঠে সোডিয়াম লাইটগুলো। আপাতত অন্ধকার কেটে গেলেও অন্তর্গত অন্ধকারসমূহ কাটবে কোন সে আলোয়- সে কথা জানা নেই আমার। আমাকে দেখেই রাবু মমের বুক থেকে নেমে হাঁটুমুড়ে বসে থাকে নির্বাক। তার জিভটা লালসায় লকলকে নেতিয়ে যেন মেঝেটা ছুঁতে চাইছে। কী রক্তাভ ওর জিভটা! অন্যপাশে নিথরভাবে পড়ে আছে একটা ছিন্নভিন্ন মুখাবয়ব।

‘একি মম! নাকি অন্য কেউ! নাকি কেবল কোনো এক মৃতদেহ।’ আপনমনে ভাবি আর আশ্চর্যের আগুনে পুড়তে থাকি আমি। রাবু তখনও একমনে হাঁটুমুড়ে বসে আছে। তখনও ওর জিভটা লালসায় লকলক করছে। আর কী রক্তাভ ওর জিভটা নেতিয়ে যেন মেঝেটা ছুঁতে চাইছে!

‘আমি তোকে ভেবেছিলাম আমার বিশ্বাস কিংবা ভালোবাসার ওয়াচম্যান। অথচ শেষে কি না প্রমাণ করে দিলি যে, তুই একটা কুকুর, আর একটা বিশ্বাস ভঙ্গকারী কুকুর!’ উত্তেজনায় নিজেকে উজার করে কথাগুলো বলেই বেডরুমের গোপন ড্রয়ার থেকে রিভলভারটা এনে রাবুর দিকে তাক করে ধরি। রাবু তখনও হাঁটুমুড়ে বসে আছে অপরাধীর মতো। তখনও ওর জিভটা লালসায় লকলকে নেতিয়ে যেন মেঝেটা ছুঁতে চাইছে। আর কী রক্তাভ সেই জিভ!

‘তোর বেঁচে থেকে কোনো কাজ নেই আর’ বলেই ট্রিগারটা কেবল একবার চাপ দিই তর্জনিটা বাঁকিয়ে। নিমিষেই একটা অচেনা শব্দে বিভৎস দৃশ্যের জন্ম হয়। মেঝেতে লুটিয়ে নির্বিকার পড়ে থাকে রাবু। চলবে...

নিউজজি/জেডকে

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers