মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১ আশ্বিন ১৪৩০ , ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৫

বিদেশ

চীনে মজুত অর্ধশতাব্দীর কয়লা ও দুদশকের তেল

নিউজজি ডেস্ক ২৪ সেপ্টেম্বর , ২০২২, ২০:৪৬:৩৯

120
  • ইন্টারনেট থেকে

ঢাকা: চীনের ভূগর্ভে যে পরিমাণ কয়লা মজুদ আছে তা আগামী পাঁচ দশক তথা ৫০ বছরেও শেষ হবে না। অপরদিকে বর্তমানে যে পরিমাণ জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে তাতে আগামী ১৮ বছর জ্বালানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যের বরাতে এ খবর দিয়েছে রুশ গণমাধ্যম রাশিয়া টুডে।

জ্বালানি তেলের এই মজুদের ফলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ফেলার যে সময়সীমা তা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে কয়লার যে মজুদ রয়েছে তাতে করে আগামী ২০৬০ সালের আগে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভবপর নয়।

চীনে উত্তোলিত বেশিরভাগ কয়লা দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণেই ব্যবহৃত হয়। কিছু কয়লা দেশের বাইরেও আমদানি করে দেশটি। সবমিলে প্রতি বছর ৪ বিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদিত হয় দেশটিতে। অন্যদিকে দেশটি যে পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ক্রয় করে তা অনেক দেশের তেল উৎপাদনের চেয়েও অনেক বেশি। বলাই বাহুল্য, চীন বিশ্বের শীর্ষ তেল আমদানিকারক দেশ।

চীনা মন্ত্রণালয়ের মতে, দেশটিতে ২০২১ সালে কয়লার মজুদ প্রায় ২০৮ বিলিয়ন টন ছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে নতুন কয়লাখনির অনুসন্ধানের খরচও ২০ শতাংশ বেড়ে ১.৩ বিলিয়ন ইউয়ান বা ১৮৪ মিলিয়ন ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

দেশটিতে বর্তমানে জ্বালানি তেলের মজুদ ৩.৭ বিলিয়ন টনে গিয়ে ঠেকেছে। প্রতিবছর দেশটিতে আনুমানিক ২০০ মিলিয়ন টন জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয় এবং সে হিসেবে আগামী দুই দশক তথা ২০ বছরের তেল মজুদ করে রেখেছে দেশটি।

অন্যদিকে ৬ হাজার ৩৩৯ বিলিয়ন কিউবিক মিটার গ্যাসের মজুদ দেশটির আগামী ৩০ বছরের চাহিদা পূরণে সক্ষম বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সবমিলিয়ে খুব শিগগিরই যে দেশটি কার্বন নিঃসরণ কমাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাচ্ছে না সহজেই অনুমেয় বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজজি/এসজেড

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন