শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ , ১৩ শাবান ১৪৪৫

খেলা
  >
ক্রিকেট

টেস্টে ফিরতে উদগ্রীব রাচিন

স্পোর্টস রিপোর্টার ২৪ নভেম্বর , ২০২৩, ২২:৪৮:২৫

273
  • রাচিন রবীন্দ্র। ছবি-ইন্টারনেট

বাপ-দাদার ভিটে-মাটি বেঙ্গালুরুতে। সেখানকার ছেলেটা এখন নিউ জিল্যান্ডের গর্ব। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে বাঁ হাতি স্পিন অলরাউন্ডার রাচিন রবীন্দ্র একটার পর একটা বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছেন।

২৫ বছরের আগে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বাধিক রান (৫৭৮), সর্বাধিক সেঞ্চুরির (৩টি) রেকর্ড করে শচীনের কৃতিত্বকে গেছেন ছাড়িয়ে। ২ বছর আগে যে ছেলেটির টেস্ট অভিষেক হয়েছে বাঁ হাতি স্পিন পারদর্শিতায়, এখন সেই রাচিন রবীন্দ্র হয়ে গেছেন অন্যতম সেরা টপ অর্ডার।

বিশ্বকাপ শেষে বিশ্রামের ফুরসত পাননি ২৪ বছর বয়সী ভারতীয় বংশোদ্ভুত এই ছেলেটি। ভারতে বিশ্বকাপে পারফর্ম করে এখন ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে পা রেখেছেন বাংলাদেশে।

সে কারণে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন রাচিন রবীন্দ্র। সিলেটে শুক্রবার সে অনুভুতির কথাই বলেছেন রাচিন রবীন্দ্র-‘ সব কিছু খুব দ্রুত ঘটে গেছে। আমি এখানে আসতে পেরে খুব সৌভাগ্যবান।’

বয়সটা কম বলে দলের সঙ্গে সারা বিশ্ব ঘুরে বেড়িয়ে সিনিয়রদের সাথে থেকে শিখতে চান সব কিছু-‘আমার এখন যে বয়স, এই বয়সে  পছন্দের খেলা ক্রিকেট খেলতে বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করতে পারাটা খুবই বিশেষ। যারা এত দিন ধরে দলে আছেন তাদের কাছ থেকে শেখার সময় এটা। আশা করি আমি তাদের কাছ থেকে শিখতে পারব।’

রাচিন রবীন্দ্রর টেস্ট ক্যারিয়ারের শুরুটা ভাল নয়। ৩ টেস্টে ১৪.৬০ গড়ে করেছেন ৭৩ রান, উইকেটের সংখ্যা মাত্র ৩টি। লাল বলের ক্রিকেটে ফেরার প্রতীক্ষা বেড়েছে তার। ২২ মাস পর লাল বলের ক্রিকেটে ফিরতে উদগ্রীব এই কিউই সেনসেশন-‘আমি লাল বলের ক্রিকেটে ফিরে যাওয়াটা উপভোগ করব।কারণ, আপনাকে স্কোর করার জন্য একটি ভাল একটা উপায়।’

ওয়ানডে থেকে টেস্ট ম্যাচে প্রত্যাবর্তনের পথটা সহজ নয়, তা জানেন রাচিন- ‘কখনও কখনও বুঝতে পারি না যে একটি টেস্ট ম্যাচ আসলে কতোটা দীর্ঘ হয়। প্রতিদিন ৯০ ওভার করে পাঁচ দিন খেলতে হবে। অনেক সময় পাওয়া যাবে। তাই আশা করি আমরা ওয়ানডে থেকে টেস্টে ফিরতে হলে নিজেকে শান্ত রাখতে হবে।’

টেস্ট ক্রিকেটের প্রথম অধ্যায়ে তার অভিজ্ঞতাও সুখকর নয়। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে টেস্টে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছে বাংলাদেশ যে ম্যাচে, নিউ জিল্যান্ডের হয়ে সেই টেস্ট খেলেছেন রাচিন-‘ক’ বছর আগে টেস্ট ক্রিকেটে আমার অভিজ্ঞতাকে আমি বেশ পছন্দ করেছি।একটা ছোট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এটি টেস্ট ক্রিকেট, তাই আমার হাতে অনেক সময় আছে।এটা নিশ্চিতভাবেই আলাদা ভূমিকা। এটা নতুন বল ফেস নয়, আমাকে হয়তবা পিচে যেয়ে সরাসরি একজন স্পিনারের মুখোমুখি হতে হবে। এর সৌন্দর্য হলো, দলের জন্য যেভাবেই পারি না কেনো, ভূমিকা যাই হোক না কেনো, আশা করি জয়ে অবদান রাখতে পারবো।’ 

বাংলাদেশের মাটিতে ৩ ওয়ানডে, ৫ টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা আছে রাচিন রবীন্দ্র’র। বাংলাদেশের স্পিনাররা তাদের মাটিতে একটু বেশি সহায়তা পায় বলে ধারণা বদ্ধমূল রাচিনের- ‘২০২১ সালের ওই উইকেটগুলো ছিল সত্যিই অদ্ভুত। ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ কঠিন ছিল।  এখানকার স্পিনাররা আমাদের দেশের চেয়ে তুলনামূলক একটু দ্রুতগতিতে বল করে। স্পিনারদের জন্য একটু বেশি সহায়তা আছে। যদি একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গতি বাড়িয়ে বল ফেলা যায়, তাহলে সাফল্য পাওয়া যাবে।’

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন