শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ , ১৩ শাবান ১৪৪৫

খেলা
  >
ক্রিকেট

বিশ্বকাপ দলে তামিম না থেকেও আছেন ধর্মশালায়

শামীম চৌধুরী ৭ অক্টোবর , ২০২৩, ০৮:৫৭:৩৩

438
  • বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরি এবং হাজার রান পূর্ণ করার সেই কৃতিটা দৈনিক ইনকিলাবের ই-পেপার থেকে নেয়া হয়েছে।-সংগৃহিত

ধর্মশালায় পা দিলে ৭ বছর আগে যার কৃতি মনে করিয়ে দিবে, সেই ধর্মশালায় ফিরতি সফরে এবার আর নেই সেই তামিম ইকবাল। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান তামিম। সেই সেঞ্চুরিটির ভেন্যু ধর্মশালা।

২০১৬ সালে ওমানের বিপক্ষে ৬৩ বলে ১০ বাউন্ডারি, ৫ ছক্কায় স্মরণীয় সেই সেঞ্চুরিটির ছবি আজ (শনিবার) চোখের সামনে ভেসে ওঠারই কথা। হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট স্টেডিয়াম ভারতের নবীনতম আন্তর্জাতিক ভেন্যু।

১ টেস্ট, ৪ ওয়ানডে, ১০ টি-টোয়েন্টি আয়োজন করেছে স্থানীয় প্রাদেশিক ক্রিকেট এসোসিয়েশন। তবে এই সীমিত সংখ্যক ম্যাচের মধ্যে তামিমের কৃতি হিমাচল প্রদেশ স্টেডিয়ামকে করেছে গর্বিত।

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে তিনটি ম্যাচে তামিমের সংগ্রহ ২৩৩ রান, যার পুরোটাই গড়! স্ট্রাইক রেট ১৫৮.৫০ও গর্ব করার মতো।৩ ইনিংসে ১ সেঞ্চুরি, ১ ফিফটি। এই স্টেডিয়ামে নিজের অভিষেক ইনিংসেই সেঞ্চুরির সম্ভাবনা ছিল তামিমের।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে  ৫৮ বলে হার না মানা ৮৩ রানের হার না মানা সেই ইনিংসকে সেঞ্চুরিতে পরিণত করতে না পারার আক্ষেপ ঘুঁচিয়েছেন তামিম এই ভেন্যুতে সেবার শেষ ম্যাচে। ওমানের বিপক্ষে ৬৩ বলে ১০ বাউন্ডারি, ৫ ছক্কায় ১০৩ রানের হার না মানা ইনিংসে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরির ইতিহাস রচনায় দিয়েছে শুন্যে লাফ।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ রাউন্ডের দ্বিতীয় ম্যাচেও পেতে পারতেন হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু বৃষ্টি এসে পড়ছে বলে ৮ ওভারে থেমে যাওয়া ম্যাচের শেষ বলে ছক্কা মারতে যেয়ে দিয়ে এসেছেন তামিম ক্যাচ। ৩ রান দূরত্বে থেকে ফিফটি হাতছাড়া করেছেন তামিম। এই ধর্মশালা থেকেই প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাজার রানের মাইলস্টোন ছুঁয়েছেন তামিম।

এক ম্যাচে দুটি কৃতি- টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে সেঞ্চুরি এবং হাজারী ক্লাবের সদস্যপদ, দুটি ইতিহাস রচনা করেছেন তামিম। এই ইতিহাস রচনায় পেয়েছিলেন কোচ হাতুরুসিংহে, বন্ধু সাকিবের অভিনন্দন। সেই বন্ধুত্বে ধরেছে বিশাল ফাঁটল। সেই কোচের চোখেও তামিম নেই আগের মতো। হিমালয়ের পাদদেশে গড়ে ওঠা স্টেডিয়ামে তামিম বীরত্ব সত্যিই গর্ব করার মতো।

অনার্স বোর্ড থাকলে নিশ্চয়ই খোদাই করে লেখা থাকবে তামিমের নাম। ৭ বছর পর এই ধর্মশালায় অতীত সুখস্মৃতি থেকে টনিক নিয়ে নিজেকে মেলে ধরবেন বলে ছিল সংকল্প। তবে বিসিবির শীর্ষস্থানীয় এক কর্তার একটি ফোন কলে মাথা এলোমেলো করে দিয়েছে তামিমের। তার কথার উত্তরে ক্ষুব্ধ জবাবে শেষ হয়ে গেছে তামিমের বিশ্বকাপ  স্বপ্ন।

তামিম নেই, বিশ্বকাপ যাত্রার আগের দিন দল ঘোষণায় সবচেয়ে বড় সমালোচনার জন্ম দিয়ে তার অনুপস্থিতি। তবে বিশ্বকাপ দলে তামিম না থেকেও আছেন ধর্মশালায়। ঠিক হিমালয়ের মতো মাথা উঁচু করে। 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন