বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ১ আষাঢ় ১৪২৮ , ৫ জিলকদ ১৪৪২

খেলা
  >
ক্রিকেট

জানা গেছে ম্যাকগিলের অপহরণকারীর পরিচয়

ক্রীড়া ডেস্ক ৫ মে , ২০২১, ১৩:৪৯:২২

  • ছবি: ইন্টারনেট

অবশেষে ২০ দিন পর জানা গেল স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলের অপহরণকারীর পরিচয়। অস্ট্রেলিয়ান দৈনিক দ্য এজ জানিয়েছে,  ৫০ বছর বয়সী সাবেক অস্ট্রেলিয়ান লেগ স্পিনারকে অপহরণের পেছনে জড়িত তারই বান্ধবীর ভাই!

এরআগে গত ১৪ এপ্রিল সিডনিতে অপহরণের শিকার হয়েছিলেন ম্যাকগিল। এরপর বন্দুকের মুখে তাকে এক ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর করা হয়, হুমকি-ধামকিও দেওয়া হয়। 

অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম নিউজডটকমডটএইউ জানাচ্ছে, ম্যাগলিগকে যে অপহরণ করেছিল তার বয়স ৪৬ বছরের মতো। এখন দ্য এজ জানাচ্ছে, অভিযোগ উঠেছে, সেই ব্যক্তি ম্যাকগিলের বান্ধবীর ভাই মারিয়ানো সোতিরোপুলোস। সম্প্রতি মারিয়া ও’মিগ নামে এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান ম্যাকগিল। ও’মিগের ভাই সোতিরোপুলোস।

ক্রেমোর্নে ১৪ এপ্রিল ঘটনার সময়ে প্রথমে সোতিরোপুলোস আসেন ম্যাকগিলের সামনে। এরপর আরও দুজন ম্যাকগিলকে ঘিরে দাঁড়ান। পরে ম্যাকগিলকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ৬০ কিলোমিটারের বেশি দূরের ব্রিঞ্জেলি অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। অস্ট্রেলিয়ান সাবেক লেগ স্পিনারকে সেখানে বন্দুকের মুখে এক ঘণ্টার মতো আটকে রাখা হয়। হুমকি-ধমকি, মারধর করা হয় বলে অভিযোগ আছে। এরপর আবার ৪০ কিলোমিটার দূরের বেলমোর অঞ্চলে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ম্যাকগিলকে।

ঘটনার ছয় দিন পর পুলিশে অভিযোগ করেন ম্যাকগিল। ব্যাপক তদন্তের পর পুলিশ আজ বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ছয়টায় ৪৬ বছর বয়সী সোতিরোপুলোসকে আটক করে। এর পাশাপাশি আটক করা হয় আরও ৩ জনকে, ৪২ বছর বয়সী সুন মিন এনগুয়েন ও দুই ভাই ফ্রেডেরিক শাফ (২৭) ও রিচার্ড শাফকে (২৯)।

ম্যাকগিল কী অপহরণ হতে পারে, তা পরে জানিয়েছে দ্য এজ। সেখানে লেখা হয়েছে, ও’মিগেরের সঙ্গে সম্প্রতি প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন ম্যাকগিল। ও’মিগের হচ্ছেন অ্যারিস্টটলস নামের এক রেস্তোরাঁর মালিকদের একজন। এই রেস্তোরাঁরই মহাব্যবস্থাপক হিসেবে এখন কাজ করছেন ম্যাকগিল। রেস্তোরাঁর ব্যবসায়িক নথিতে দেখা যাচ্ছে, ও’মিগেরের ভাই সোতিরোপুলোস ছিলেন রেস্তোরাঁর সাবেক এক মালিক।

তবে ম্যাকগিলের কারও কাছে কোনো দেনা ছিল না বলে নিশ্চিত করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা অ্যান্থনি হোল্টন। তাঁকে উদ্ধৃত করে দ্য এজ লিখেছে, ম্যাকগিলকে শুধুই ‘অপহরণের শিকার’ একজন নাগরিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ‘তিনি আর এমন কোনো নেপথ্যের গল্পে জড়িয়ে ছিলেন না, যেটা দেখে মনে হতে পারে যে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত দায়–দেনা ছিল’—বলেছেন হোল্টন। 

ম্যাকগিল কেন সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার কথা পুলিশকে জানাননি, সে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন হোল্টন,  ‘একেকজনের ট্রমা একেক রকম হয়। ক্রেমোর্নের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা, সেখান থেকে হঠাৎ তাঁকে জোর করে গাড়িতে ঢুকিয়ে নেওয়া, দূরের কোনো জায়গায় যেতে হওয়া, শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়া, বন্দুকের মুখে হুমকি-ধমকি শোনা, অনেকটা সময় আটকে থাকা, তারপর মাঝরাস্তায় ছাড়া পাওয়া...আমার মনে হয়, এত কিছুর পর আপনি নিজের এবং পরিবার-বন্ধুদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় থাকারই কথা’

নিউজজি/সিআর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers