বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ , ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

খেলা

সিলেট টেস্ট জিততে ৩ উইকেট দূরে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক মে ১৯, ২০২৬, ১৮:৫৯:০৪

160
  • সিলেট টেস্ট জিততে ৩ উইকেট দূরে বাংলাদেশ

অনেকেই ভেবেছিলেন সিলেট টেস্ট চতুর্থ দিনেই শেষ হয়ে যাবে। তবে তেমনটা হয়নি। যদিও খুব বেশি বাকিও নেই। শুধু মোহাম্মদ রিজওয়ানই থেকে গেছেন বাংলাদেশের জয়ের পথের কাঁটা। এ টেস্ট জয় থেকে বাংলাদেশ এখন ৩ উইকেট দূরে।

চতুর্থ দিনের খেলা শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জিততে হলে আরও ১২১ রান করতে হবে। বাংলাদেশের চাই আরও ৩ উইকেট। এমন সমীকরণে চতুর্থ দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ জয়ের সুবাসই পাচ্ছে। রিজওয়ান ৫ রানে অপরাজিত, অন্য প্রান্তে সাজিদ খান ৮ রানে ব্যাট করছেন।

চতুর্থ ইনিংসে ৪৩৭ রান করে টেস্ট জয়ের রেকর্ড নেই। যে কারণে সিলেট টেস্ট চতুর্থ দিনেই মনে হয়েছিল শেষ হয়ে যাবে। তবে  দুটি জুটিতে ভর করে সেই ভাবনা পাল্টে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল পাকিস্তান। পাশাপাশি চতুর্থ দিনে পাটা হয়ে ওঠা সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের উইকেট ও বাংলাদেশের বোলারদের মাঝেমধ্যে অকার্যকর বোলিংয়েরও ভূমিকা আছে। তবে এটাও সত্য, পাটা উইকেটে সারা দিন ভালো জায়গায় বোলিংয়ের পুরস্কারও পেয়েছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের পাল্টা প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় ভূমিকা দুটি জুটির।  তৃতীয় উইকেটে শান মাসুদ–বাবর আজমের ৯২ রানের জুটি। এছাড়া ষষ্ঠ উইকেটে রিজওয়ান–আগা সালমানের ১৩৪ রানের জুটি পাকিস্তানকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল।

শেষ সেশনে তাইজুলের বলে বোল্ড হন ৭১ রান করা সালমান। এরপর ক্রিজে আসা পেসার হাসান আলী  খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না। তাকেও ফেরান তাইজুল। পাকিস্তানের স্কোর তখন ৭ উইকেটে ৩০৪। শেষ সেশনে পড়ন্ত বিকেলে তাইজুলের এ দুটি উইকেটই আসলে পাকিস্তানের পাল্টা প্রতিরোধ ভেঙে ম্যাচটা ঘুরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের দিকে।

ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে হেলে পড়ার ভিতটা অবশ্য গড়ে দেন লিটন দাস। সেটা কিপিং–গ্লাভস হাতে। দ্বিতীয় সেশনে বাবর–মাসুদের জুটি ভাঙায় স্কোরবোর্ডে উইকেটশিকারি হিসেবে তাইজুলের নাম লেখা থাকলেও ওটা আসলে লিটনের ‘উইকেট’। তাইজুলের বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে যাওয়ার সময় বাবরের ব্যাট ছুঁয়েছিল। নিচু হয়ে আসা ক্যাচটি নেন অবিশ্বাস্য দক্ষতায় নেন লিটন। ৪৭ রানে আউট হওয়া বাবর ক্রিজে কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

শেষ সেশনে যখন রিজওয়ান–সালমানের জুটি ক্রমেই বড় হয়ে চোখ রাঙাচ্ছিল, তখন বাংলাদেশ আসলেই একটু দুশ্চিন্তায় পড়েছিল। শেষ সেশনে নতুন বল নেয়ার পর সেই তাইজুলই দারুণ এক স্ট্রেট ডেলিভারিতে জুটিটি ভাঙেন।

সকালের সেশনে পাকিস্তান শুরুটা করে আশা জাগানিয়ার মতোই।  ২৪ ওভারে ২ উইকেটে ১০১ রান তুলে। দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজলকে দলীয় ৪১ রানের মধ্যে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদ রানা।

১১৩ রানে ৪ উইকেট নেওয়া তাইজুলই চতুর্থ দিনের সেরা বোলার।  ২ উইকেট নেন নাহিদ রানা।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ২৭৮ ও ৩৯০

পাকিস্তান: ২৩২ ও ৮৬ ওভারে ৩১৬/৭ (রিজওয়ান ৭৫*, মাসুদ ৭১, বাবর ৪৭; তাইজুল ৪/১১৩, নাহিদ ২/৫৮, মিরাজ ১/৬২)।

(চতুর্থ দিন শেষে)

নিউজজি/সিআর/নাসি  

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers