মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ , ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

খেলা

আরেকটি মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে তামিম

শামীম চৌধুরী, চট্টগ্রাম থেকে মে ১৭, ২০২২, ১৫:২৯:১২

291
  • সেঞ্চুরির পর তামিম।-বিসিবি

শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস : ৩৯৭/১০ (১৫৩.০ ওভারে)
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস : ২২০/৩ (৭২.০ ওভারে)
(৩য় দিন টি ব্রেক পর্যন্ত )

প্রথম ইনিংসে ৬৭৫ মিনিটের ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কা করেছে ৩৯৭/১০। জবাবে ২১৯ মিনিটের ওপেনিং পার্টনারশিপে ১৬২ রান লিডের স্বপ্ন দেখাচেছ বাংলাদেশ দলকে। তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২২০/৩। বাংলাদেশ তখন পিছিয়ে ১৭৭ রানে। তামিম ১৩৩ রানে, মুশফিক ১৪ রানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন তখন।

দিনের দ্বিতীয় সেশনটা অবশ্য ভালো হয়নি। ৬৩ রান যোগ করে বাংলাদেশ হারিয়েছে দ্বিতীয় সেশনে ৩ উইকেট। তামিম-জয় ওপেনিং পার্টনারশিপে ১৬২ রানেশ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। আগে সর্বোচ্চ ছিল ২০১৭ সালে গলে, তামিম-সৌম্য’র ১১৮।  

দিনের শুরুটা করেছেন তামিম দ্বিতীয় বলে মেন্ডিজকে আত্মবিশ্বাসী শটে দুই রান নিয়ে। দ্বিতীয় ওভারে ফার্নান্দোকে মেরেছেন দুটি চার। মেন্ডিজকে শর্ট বলে চার মেরে ৩২তম ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৭৩ বলে। লোকাল হিরো তামিমের এটা সাগরিকায় ১২তম ফিফটি। নিউজিল্যান্ড সফরে ৭৮, দ. আফ্রিকা সফরে ১৩৭ রানে নিজেকে চেনানো তরুণ ওপেনার জয় পেয়েছেন ফিফটি ১৭১ মিনিটে ফিফটি পূর্ণ করেছেন তিনি।
 

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে হ্যামিলটনে নবম সেঞ্চুরি উদযাপনের পর থমকে দাঁড়িয়েছেন তামিম দীর্ঘ সময়। ডাবল ডিজিটের জন্য গুনতে হয়েছে তাকে অপেক্ষার প্রহর। হতে হতে হয়নি দশম সেঞ্চুরি। ফসকে গেছে গত বছর শ্রীলঙ্কা সফরে দু’বার। পাল্লেকেলেতে ৯০ ও ৯২ রানে থেমে নিজেকে দুর্ভাগা মনে করেছেন তামিম।  
 

টেস্টে নবম সেঞ্চুরির পর পরবর্তী শতকের জন্য তামিমকে অপেক্ষা করতে হয়েছে তামিমকে ৩৯ মাস। আসিথার শর্ট বলে মিড অফে চার মেরে ৯৯, পরের বলে মিড উইকেটে পুশ করে ১ রান নিয়ে পূর্ণ করেছেন টেস্টে ১০ম  সেঞ্চুরি।

যেখানে বড় হয়েছেন, নিজেদের বাসা-বাড়ি, অথচ সেখানে একমাত্র  টেস্ট সেঞ্চুরিটি তার ২০১৪ সালের নভেম্বরে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। সাড়ে ৭ বছর পর সাগরিকায় পেলেন সেঞ্চুরির দেখা।

আগের দিন ৩৯ রানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন তামিম। ৩য় দিনের শুরুটা করেছেন তামিম দ্বিতীয় বলে মেন্ডিজকে আত্মবিশ্বাসী শটে দুই রান নিয়ে। দ্বিতীয় ওভারে ফার্নান্দোকে মেরেছেন দুটি চার। মেন্ডিজকে শর্ট বলে চার মেরে ৩২তম ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৭৩ বলে। লোকাল হিরো তামিমের এটা সাগরিকায় ১২তম ফিফটি। জয়কে নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬২ রানে বাংলাদেশের ওপেনিং পার্টনারশিপে রেকর্ডের নায়ক তামিম ২১৯ মিনিটে পূর্ণ করেছেন ১০ম শতক।

১৬২ বলে ১২টি চার মেরে পূর্ণ হওয়া সেঞ্চুরিতে আরেকটা মাইলফলকও ছুঁয়েছেন তামিম। মুশফিক, মুমিনুলের পর সাগরিকায় তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে টেস্টে হাজার রান পূর্ণ করেছেন দেশসেরা ব্যাটার। টি ব্রেকের সময় তার স্কোর ১৩৩। আরেকটি মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ সেরা ব্যাটার। আর মাত্র ১৯ রান করতে পারলে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ৫ হাজারি ক্লাবের সদস্যপদ পাবেন তামিম।

তামিমের সেঞ্চুরির দিনে সেঞ্চুরি পেতে পারতেন জয়ও। তবে ৫১ রানের মাথায় আসিফার বলে এমবুলদুনিয়ার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া জয় থেমেছেন ৫৮ রানে। আসিফার শর্ট বল ছাড়তে যেয়েও পারেননি, উইকেটরক্ষকের হাতে দিয়েছেন ক্যাচ। 

বিশ্ব ফার্নান্দো হাসপাতালে ভর্তি হলে তার জায়গায় ৩য় দিনের দ্বিতীয় সেশনে কনকাশন সাব হিসেবে খেলতে নেমে দারুণ বোলিং করেছেন (৫-১-১৩-২)। শান্তকে উইকেটের পেছনে (২২ বলে ১) এবং মুমিনুলকে বোল্ড আউটে (১৯ বলে ২) ফিরিয়ে দিয়েছেন কনকাশন সাব পেসার রাজিথা। তীব্র দাবদাহের এবং ক্লান্তির কারণে টি ব্রেকের পরে তামিম ব্যাটিংয়ে নামেননি।
 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন