রবিবার, ১ আগস্ট ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮ , ২১ জিলহজ ১৪৪২

গণমাধ্যম

কাজের মধ্যেই ঈদোৎসব পালন করছেন সংবাদকর্মীরা

 ২১ জুলাই , ২০২১, ১৭:২৯:১৫

  • খাজা মেহেদী শিকদার, স্টাফ রিপোর্টার

পবিত্র ঈদুল আজহার দিনেও ব্যস্ত সময় পার করছে গণমাধ্যমকর্মীরা। কাজের মধ্যেই ঈদের আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন জরুরি সেবায় নিয়োজিত এ পেশার মানুষ।

আজ বুধবার (২১ জুলাই) বুধবার একাধিক গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। বিশেষ করে সম্মুখসারির যোদ্ধা ডাক্তার-নার্স হাসপাতালে রোগীর সেবায় ব্যস্ত। সেবায় ব্যস্ত আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও।

এদিকে গণমাধ্যমকর্মীসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিতরা ঈদের দিনেও জনসাধারণের সেবা ও তথা সচেতনতার লক্ষ্যে মাঠে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

কথা হয় আরটিভির আপেল শারিয়ার’র সঙ্গে। তিনি বলেন, মোটামুটি কাজের মধ্যে আমাদের ঈদের আনন্দটা চলে যাচ্ছে। আমাদের কাছে ঈদ বড় না, কাজটাই বড়।

এ বিষয়ে কথা হয় প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার মানিকের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রতিটা ঈদ আমাদের যেভাবে কাটে, ঠিক সেভাবেই কেটে যাচ্ছে এবারের ঈদ।

ঈদের দিন কাজের ব্যস্ততা কেমন জানতে চাইলে ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার জামিউল ইসলাম শিপু বলেন, খুব ব্যস্ততার মধ্যে সময় যাচ্ছে। ঈদ-পূজাসহ বিভিন্ন সামাজিক উৎসবগুলো আমাদের কাজের মধ্যে দিয়েই চলে যায়। 

কথা হয় বাংলানিউজের ইফতি মাহমুদের সঙ্গে। তিনি বলেন, সকাল থেকে সংবাদ সংগ্রহের কাজে খুব ব্যস্ত সময় পার করছি। বাংলাদেশ প্রতিদিনের আলী আজম বলেন, কাজের মধ্যেই আছি। আমাদের কাজের মধ্যে থাকতে হয়, এটাই ভালো লাগে। আজকের পত্রিকার চিফ রিপোর্টার রাশেদ নিজাম বলেন, ভোর সকালে বায়তুল মোকাররমে নামাজ পড়ে এসেছি। এরপর  কাজের মধ্যে ব্যস্ত সময় পার করছি।

আমাদের সময়ের জনি বলেন, বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছেলে-মেয়ে ফোন দিচ্ছে। কিন্তু কি করবো এবার ঈদের ছুটি হয় নাই। কাজের মধ্যে পরিবারের কথা ভুলে গেছি। 

কথা হয় গণমাধ্যমকর্মী ওমর ফারুক বিশাল’র সঙ্গে। তিনি বলেন, ঈদে বাড়িতে যেতে না পারায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা মানসিক অস্বস্তি কাজ করছি। এটা থাকবেই। তবে ভলোবাসা নিয়ে কাজ করলে, কাজটা উপভোগ্য হয়। আমার ক্ষেত্রে তাই হচ্ছে। আর যাদের সঙ্গে ঈদের কাজ করছি, তারা সবাই আন্তরিকতার সঙ্গেই কাজ করছে এবং নিয়ম মেনেই করছে। চাপ না নিয়ে কাজটা উপভোগ করছি- এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। সবার ঈদ আনন্দময় হোক।

এ বিষয়ে জাগো নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার খালিদ হোসেন বলেন, লকডাউন এর কথা চিন্তা করে ঈদের তিন দিনের ছুটি নিইনি। লকডাউন শেষ হলে বাড়িতে যাবো। তবে সাংবাদিকদের ঈদের দিনটা খুব ব্যস্ত থাকতে হয়, এটাই স্বাভাবিক।

করোনা অতিমারিতে বিপর্যস্ত বিশ্বে আবারো আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে ঈদ। তবে, জরুরি সেবাসহ অনেক পেশার মানুষেরই পরিবার পরিজনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার সুযোগ মেলে না। দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েই তাদের খুঁজে নিতে হয় ঈদের আনন্দ।

ঈদের দিনেও গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়ে ছুটে চলেন মাঠে-ঘাটে। দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েই তারা খুঁজে নেন উৎসবের আনন্দ। উৎসব আনন্দে পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকা কষ্টের হলেও সেবাতেই আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ।

নিউজজি/ওএফবি

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers