বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ৮ আষাঢ় ১৪২৮ , ১২ জিলকদ ১৪৪২

জীবনযাত্রা
  >
অন্যান্য

অবাঞ্ছিত লোম

নিউজজি ডেস্ক ১১ আগস্ট , ২০১৮, ১৫:১৮:৩৯

  • অবাঞ্ছিত লোম

হরমোনের তারতম্যের কারণে কোনও কোনও নারীর হাতে, পায়ে অথবা ঠোঁটের উপর অবাঞ্ছিত লোম দেখা দিতে পারে। এ নিয়ে তাকে বিড়ম্বনার চূড়ান্তে পৌঁছতে হয়। শুধু মুখেই না; গলায়, বুকে, পেটে এই অবাঞ্ছিত লোম দেখা দিতে পারে। 

এই অবাঞ্ছিত লোম কোন ওষুধের রি-এ্যাকশন হিসেবেও হতে পারে। একেক স্থানের লোম তোলার একেক পদ্ধতি। আমরা ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক সময় লোমকে বাড়িয়ে তুলি। যেমন ঠোঁটের উপরের লোম যদি টুইজার বা চিমটা দিয়ে তোলা হয় তাহলে রোমের গোড়ায় হরমোনের অতিরিক্ত স্টিমিউলেশনের ফলে লোম বেড়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ঠোঁটের উপরের লোম তুলতে অন্য পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত।

বুক, পেটের ক্ষেত্রেও এই ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তবে অতিরিক্ত লোম দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে। আর লক্ষ্য রাখতে হবে, লোম কমাতে গিয়ে যেন লোম বাড়িয়ে না ফেলি। শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অনেকটা বংশগত। খুব ছোটবেলা থেকে লক্ষ্য করলে এটা রোধ করা যায়। নারিকেলের নাড়ু তৈরি করার পর যে তেল বের হয় তা বাচ্চা মেয়েদের হাতে, পায়ে, মুখে, রোমের উল্টাদিক বরাবর ঘষে ঘষে মাখিয়ে দিলে বড় হলে আর অবাঞ্ছিত রোমের সমস্যা থাকে না। 

লোম তোলার কিছু কার্যকর পদ্ধতি নিচে দেয়া হলো। যার যার সুবিধামতো পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। 

থ্রেডিং পদ্ধতিতে সাধারণত ভ্রূ এবং ঠোঁটের উপরের লোম তোলা হয়। একটি সুতো দিয়ে, তার প্যানের কৌশলে লোম তোলাকে থ্রেডিং বলে। থ্রেডিং সাধারণত নিজেরটা নিজে করা যায় না। বিউটি পার্লারে গিয়ে করতে হয়। 

টুইজিং বা প্লাকিং পদ্ধতিতেও সাধারণত ভ্রূর লোম তোলা হয়। যাঁরা বাড়িতে করবেন তাঁরা ম্যাগনিফাইং গস্নাস নিয়ে যথেষ্ট আলো আছে, এমন জায়গায় বসে ভ্রূ প্লাক করবেন। ভ্রূ প্লাক করার আগে মুখ ভালভাবে ধোবেন এবং টুইজার বা চিমটাও ভালভাবে ধোবেন। প্লাক করার সময় ব্যথা লাগলে পস্নাকিং-এর আগে একটু গরম জলে ভেজানো তোয়ালে মুখের উপর দিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন, পস্নাকিং-এ সুবিধা হবে। প্লাকিং করলে লোম খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে যায়। আর টুইজার দিয়ে লোম কখনও একেবারে গোড়া থেকে তোলা যায় না। রোমের শেষ সাদা বিন্দুটিই গোড়া নয়। ওই সাদা বিন্দুটির উপস্থিতির কারণ আপনার সুস্বাস্থ্য। 

সাধারণত হাত, পা ও বাহুমূলের লোম তুলতে অনেকেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করেন। এই পদ্ধতিতেই খুব সহজে, তাড়াতাড়ি লোম তোলা গেলেও আবার যখন লোম ওঠে তখন তা খুব শক্ত ও ধারালো হয়। শেভ করলে তা নিয়মিত করতে হবে। ৰুর বা রেজার দিয়ে শেভ করলে শেভ করা স্থানে পানিতে ভিজিয়ে সাবান দিয়ে নেবেন তাহলে রেজার টানতে সুবিধা হবে। যেমন_ পায়ের ৰেত্রে হাঁটু থেকে গোড়ালির দিকে টানবেন। শেভিং করে লোম খুবই সাময়িক এবং দু'দিনের মধ্যেই আবার লোম উঠে যায়। মুখ বা বুকে কখনও রেজার ব্যবহার করবেন না। 

বাজারে অনেক ব্রান্ডের হেয়ার রিমুভিং ক্রিম পাওয়া যায়। এই ক্রিমে কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যা লোম তুলতে সাহায্য করে। এসব পদার্থ রোমের প্রোটিন স্ট্রাকচার পাল্টে ফেলে লোম তুলতে সাহায্য করে। ফলে লোম কতদূর উঠবে তা নির্ভর করে ক্রিম রোমের কত গভীরে পৌঁছাল তার ওপর। এই পদ্ধতিতে লোম তোলা হলে পরবর্তীতে যে লোম বের হবে তা হয় কমনীয়। কিন্তু লোম গজানো বন্ধ হবে না। এই ক্রিম মুখে, বুকে বা ভ্রূতে ব্যবহার করবেন না। তবে ব্যবহার করার আগে সামান্য একটু হাতে লাগিয়ে দেখতে পারেন আপনার ত্বকে তা সহ্য হয় কি-না। অনেকের এ্যালার্জি বা র্যাশ বের হয়। তেমন সমস্যা দেখা দিলে ব্যবহার করবেন না। প্যাকেটের গায়ে লেখা ব্যবহারবিধি মেনে চলুন। 

ছবি ও তথ্য – ইন্টারনেট 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers