বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯ , ১৩ মুহররম ১৪৪৪

জীবনযাত্রা

গমের রুটির যত উপকারিতা

নিউজজি ডেস্ক আগস্ট ৫, ২০২২, ১০:৫৪:৪০

63
  • গমের রুটির যত উপকারিতা

ঢাকা: নিয়মিত গমের রুটি খেলে শরীরে ভিটামিন বি ১, বি ২, বি ৩, বি ৬ এবং বি ৯-এর চাহিদা মেটে। সাদা ময়দার চেয়ে লাল আটার রুটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী- এমনই মত পুষ্টিবিদদের। সেই সঙ্গে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ফাইবারের ঘাটতিও মেটে আটার রুটিতে। ফলে ছোট-বড় অনেক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পরে না। তবে একদিন খেলে হবে না। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রুটি রাখতে হবে। জেনে নিন গমের রুটি খেলে শরীর কেমন উপকার পাওয়া যায় আর কোন রোগগুলো সারে-

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

শত চেষ্টা করেও অনেকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না। তবে নিয়মিত ভাতের বদলে গমের রুটি খাওয়ার অভ্যাস করলে ডায়াবেটিস থাকবে নিয়ন্ত্রণে। গমে আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম। যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্রই ৩০০ রকমের উপকারী এনজাইমের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এ কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে

গমে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই,  জিঙ্কের মতো উপকারী উপাদান। যা ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের মতো সমস্যা দূরে রাখে। এর ফলে অল্প বয়সেই চোখে ছানি পড়ার আশঙ্কাও আর থাকে না। সেই সঙ্গে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে চোখে পড়ার মতো।

পেশীকে শক্তপোক্ত করে তোলে

শরীরের পেশীর শক্তি বৃদ্ধি পায় তখনই, যখন প্রোটিনের চাহিদা মেটে। আর রুটিতে যে পরিমাণ প্রোটিন রয়েছে, তা খুব সহজেই দেহের এই বিশেষ উপাদানটির ঘাটতি মেটায়, সেই সঙ্গে পেশির গঠনেও কাজ করে।  

হার্ট সুস্থ থাকে

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে হৃদয় ভালো থাকে। তাই ব্লাড প্রেশার যাতে কখনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। গমের রুটিতে থাকা ডায়াটারি ফাইবার রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে হার্টের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না।

ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে

রুটিতে যেহেতু অনেক ফাইবার থাকে, তাই অনেক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে খিদে কমে যায়। আর কম পরিমাণে খাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে অপ্রয়োজনীয় ক্যালরির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না। এ কারণে ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে। এ ছাড়াও রুটিতে  হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার আশঙ্কা আর থাকে না।

ক্লান্তি দূর হয়

সকালে রুটি দিয়ে নাস্তা করলে সারাদিন শরীরে ভরপুর এনার্জি পাওয়া যায়। রুটি খেলে কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি মেটে। এ কারণে ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো সমস্যা দূরে পালায়। এমনকি মন-মেজাজও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে

নিয়মিত গমের রুটি খাওয়া শুরু করলে ত্বকের জেল্লা বাড়ে। বেশ কিছু গবেষণা থেকে দেখা যায়, রুটিতে থাকা জিঙ্ক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

এনার্জি বাড়ায়

অফিসে সেই সকাল থেকে এত কাজের চাপ যে মাথা তুলতে পারেননি। ফলে এনার্জি লেভেল একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে? তাহলে তো বন্ধু লাঞ্চে রুটি খাওয়া মাস্ট! কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে গম দিয়ে বানানো রুটির কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার এবং প্রোটিন নিমেষ ক্লান্তি দূর করে এনার্জির ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন