বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩১ ভাদ্র ১৪২৮ , ৭ সফর ১৪৪৩

ফিচার
  >
মানচিত্র

উপনিবেশ থেকে স্বাধীন আমেরিকা

নিউজজি ডেস্ক ৪ জুলাই , ২০২১, ১১:৩৮:২৬

  • ইন্টারনেট থেকে

ঢাকা: উত্তর আমেরিকার রাষ্ট্র ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র)। বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী এই রাষ্ট্রের ইতিহাস বেশ পুরনো। ১৪৯২ সালে ইতালীয় নাবিক কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন। পরে আমেরিগো ভেশপুচির নামে এই মহাদেশের নাম রাখা হয়।

অর্থনীতি, সামরিক, শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি, শিল্প, বানিজ্য সবক্ষেত্রেই সবচেয়ে এগিয়ে আমেরিকা। কিন্তু আজকে আমরা যে আমেরিকা, অর্থাৎ উন্নত, শক্তিশালী, আগ্রাসী, আধিপত্যকামী আমেরিকাকে দেখি, সেই আমেরিকা কিন্তু সবসময় আজকের মতো ছিল না। একটা সময় ছিল, যখন আমেরিকা ছিল বিশ্বরাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন, নিরীহ একটি দেশ। চলুন আজকে বিচ্ছিন্ন, নিরীহ দেশ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশে পরিনত হওয়া আমেরিকা সম্পর্কে জানা অজানা কিছু তথ্য জেনে নেই।

আমেরিকার পুরো নাম ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা (USA) যা যুক্তরাষ্ট্র নামেও পরিচিত। ইতালীয় আবিষ্কারক ও মানচিত্রকর আমেরিগো ভেসপুচির নামানুসারে দেশটির নাম হয় “আমেরিকা”। এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত। দেশটি ৫০টি রাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়া নিয়ে গঠিত। আমেরিকার রাজধানীর নাম ওয়াশিংটন ডিসি এবং সবচেয়ে বড় শহর নিউ ইয়র্ক। দেশটির প্রধান ভাষা ইংরেজি। তবে স্প্যানিশ, চাইনিজ, ফ্রেঞ্চ ভাষার ব্যবহারও লক্ষণীয়। আমেরিকার মুদ্রার নাম আমেরিকান ডলার। এই আমেরিকান ডলার বাংলাদেশী টাকার তুলনায় অনেক শক্তিশালী। ১ আমেরিকান ডলার সমান বাংলাদেশের প্রায় ৮৪.৫ টাকা।

হাজার হাজার বছর ধরে আমেরিকায় বিস্তৃির্ন সমভূমি জুড়ে স্থানীয় মানুষেদের বসবাস ছিলো। ধারণা করা হয় কমপক্ষে ১২,০০০ বছর আগে সাইবেরিয়া থেকে মানুষের আগমন ঘটে আমেরিকাতে। কিছু কিছু গবেষণায় ১২ হাজার বছরের আগেও আমেরিকাতে মানুষের বাস ছিল বলে দাবী করা হয়। যাই হোক, সময়ের সাথে সাথে আমেরিকার আদিবাসী সংস্কৃতি জটিল হয়ে উঠল এবং কিছু কিছু আদিবাসী মিসিসিপির সংস্কৃতি হিসাবে কৃষি, স্থাপত্য এবং রাজ্য-সদৃশ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল।

আদিবাসী আমেরিকানদের সাথে ইউরোপীয়দের প্রথম পরিচয় হয় যখন বিখ্যাত ইউরোপীয় অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালের ১৯ নভেম্বর আমেরিকা অঞ্চলের পুয়ের্তো রিকোতে আসেন। আর ক্রিস্টোফার কলম্বাস সমুদ্রযাত্রার উদ্যোক্তা হিসাবে, স্পেনই প্রথম ইউরোপীয় শক্তি যারা আমেরিকায় ঘাঁটি স্থাপন করে এবং উপনিবেশ স্থাপন করে। এরপর আসে পর্তুগীজরা। পর্তুগীজরা আমেরিকায় বেশ প্রভাব ফেলে। এরপর ১৪৯৭ সালে স্প্যানিশ এবং পর্তুগীজদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমেরিকায় পৌঁছায় ব্রিটিশরা। প্রথমদিকে সফল না হলেও একপর্যায়ে ব্রিটিশরা উত্তর আমেরিকার পূর্বাংশ, ক্যারিবিয়ান এবং দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশই নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। পরে ফ্রেঞ্চ এবং ভারত যুদ্ধের পর ব্রিটিশরা ফ্লোরিডা এবং কিউবেকেও নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।

ইউরোপীয় শক্তির বিরুদ্ধে আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধ (American Revolutionary War) ই ছিল স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম সফল উপনিবেশিক যুদ্ধ। এরপরে অগণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, ব্রিটিশদের একচেটিয়া ব্যবসা, নিজ অধিকার সম্বন্ধে সচেতনতা, জাতীয়তাবোধ প্রভৃতি কারনে তারা ব্রিটিশদের প্রাধান্য অস্বীকার করতে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হয়। এরপর ১৭৭৬ সালে জর্জ ওয়াশিংটন ব্রিটিশদের কাছ থেকে বোস্টনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তবে স্বভাবতই ব্রিটিশরা এই স্বাধীনতা মেনে নেয়নি। তাই এরপরেও আরো কিছু যুদ্ধ সংগঠিত হয়। কিন্তু ১৭৮৩ সালে ভার্সাই নগরে ফ্রান্স, স্পেন ও আমেরিকার সাথে ইংল্যান্ডের ভার্সাই সন্ধির মধ্য দিয়েই ইংল্যান্ড আমেরিকার স্বাধীনতাকে চূড়ান্তভাবে স্বীকার করে নেয়।

আমেরিকার আয়তন প্রায় ৯৮,২৬,৬৭৫ বর্গকিলোমিটার (৩৭,৯৪,১০০ বর্গমাইল)। আর জারফলে আমেরিকা বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম রাষ্ট্র। দেশটির পশ্চিম দিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর এবং পূর্ব দিকে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর। উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত কানাডার সাথে এবং দক্ষিনাঞ্চলে রয়েছে মেক্সিকো। ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেয়ে প্রায় দুইগুন বড় দেশটির পশ্চিমাঞ্চল পাহাড়ী এবং মধ্যাঞ্চল সমতল। দেশটির সর্বোচ্চ স্থান হলো ম্যাকিনলে পর্বতের চূড়া যা উচ্চতায় প্রায় ৬ হাজার ১শ ৯৮ মিটার এবং সর্বনিম্ন স্থান হলো ডেথ ভ্যালি যা ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮৬ মিটার গভীর।

আমেরিকার ভৌগলিক অবস্থা খুবই বৈচিত্রময়। বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, মরুভূমি সবই আছে আমেরিকাতে। ভূমির মতো প্রাণীজগতেও দেখা যায় বৈচিত্রতা। আমেরিকায় পাওয়া যায় বাইসন, কালো ভাল্লুক, হরিন সদৃশ গৃজলি, মেরু অঞ্চলের শ্বেত ভাল্লুক ইত্যাদি। এখানে ২০০০০ প্রজাতির বেশি ফুল পাওয়া যায়। আর আমেরিকার জাতীয় পাখি এবং প্রতীক হলো ঈগল।

আমেরিকা বিশ্বের ২য় বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। প্রতি ৪ বছর পরপর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যদি কেউ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই জন্মসূত্রে আমেরিকার নাগরিক হতে হবে এবং কমপক্ষে ১৪ বছর আমেরিকায় অবস্থান করতে হবে। প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ৩৫ বছর।

নাগরিকদের সরাসরি ভোটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন না। বরং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি হলো পরোক্ষ। প্রথমে জনগণ ভোট দিয়ে ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট বা নির্বাচকমণ্ডলী নির্বাচিত করেন। প্রতিটি রাজ্যে বরাদ্দকৃত ইলেক্ট্রোরাল ভোটের সংখ্যা সেই রাজ্যে জনপ্রতিনিধি ও সিনেটরের সংখ্যার সমান থাকে। গোটা আমেরিকায় মোট ইলেক্ট্রোরাল ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি যার মধ্যে শুধু ক্যালিফোর্নিয়াতেই রয়েছে সর্বোচ্চ ৫৫টি। আর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে চাইলে একজন প্রার্থীকে অবশ্যই কমপক্ষে ২৭০টি ইলেক্ট্রোরাল ভোট পেতে হবে।

আমেরিকার অর্থনীতি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি। আমেরিকার জিডিপি বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় ২৪ শতাংশ। আমেরিকার ওপর বিশ্বের অনেক দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। কারন আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় পণ্য আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ। আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য অংশীদার হল কানাডা, চীন, ভারত, মেক্সিকো, জাপান এবং জার্মানি।

১৯ শতক থেকেই আমেরিকায় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রযুক্তিগত এবং বৈজ্ঞানিক অর্থনীতি রয়েছে যাতে আছে বিশেষত কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চিকিৎসা সেবা, মহাকাশ, এবং সামরিক সরঞ্জাম ইত্যাদি। গুগল, অ্যাপল, ফেসবুক, টুইটার, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, আইবিএম, ইন্টেল, টেসলা ইত্যাদি বড় বড় টেক জায়ান্টরা আমেরিকার অধীনেই। যার কেন্দ্র হল সিলিকন ভ্যালি। আমেরিকার অর্থনীতির অন্যান্য মূল কারনগুলো হল পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, স্টিল, মোটর যানবাহন, রাসায়নিক, টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, ওষুধ রপ্তানি, কাঠ, খনন, প্রতিরক্ষা ও সামরিক সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য প্রযুক্তি, রিয়েল এস্টেট, আর্থিক পরিষেবা ইত্যাদি।

আমেরিকার জনসংখ্যা প্রায় ৩২.৩ কোটি। যার অধিকাংশই আশ্রয়প্রার্থী এবং আরেকটু ভালো জীবনযাপনের আশায় আমেরিকায় আসা লোকজন। আমেরিকার জনসংখ্যার প্রায় ৭০.৬% ই খ্রিস্টান। খ্রিস্টানদের পরে জনসংখ্যার দিক দিয়ে আমেরিকার ২য় সর্বোচ্চ ধর্মালম্বী হল ইহুদীরা (২.১%)। বাকিদের মধ্যে আছে ইসলাম ধর্ম (০.৮%), হিন্দু ধর্ম (০.৮%), বৌদ্ধধর্ম (০.৭%) এবং অন্যান্য। ২০১৬ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যায় প্রায় ১৯% আমেরিকান কোন ধর্মেই বিশ্বাস করে না।

আমেরিকান সংস্কৃতি বহু জাতির, বহু সংস্কৃতির মিশ্রণ। ন্যাটিভ আমেরিকান ছাড়া গত ৫ শতাব্দীতে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী আমেরিকায় বসতি স্থাপন করে। তবে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের সংস্কৃতি আমেরিকার সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করলেও সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে ইংরেজরা।

আমেরিকানরা ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী কাজের নৈতিকতা, প্রতিযোগিতা এবং স্বতন্ত্রতার পাশাপাশি স্বাধীনতা ও সাম্যতার উপর বিশ্বাসী। আর তাই মানবিক গুণাবলী, গণমাধ্যম, কর্মক্ষেত্র, সঙ্গীত, টেলিভিশন ও সিনেমার দিক দিয়ে তারা নেতৃস্থানীয়। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার হলিউড বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং শক্তিশালি সিনেমা শিল্প। আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা আমেরিকান ফুটবল। এরপরে রয়েছে বেসবল, বাস্কেটবল, ফুটবল এবং হকি। বৈশ্বিক খেলাধুলা অঙ্গনেও আমেরিকা অনেক এগিয়ে। অলিম্পিক গেমসে আমেরিকা এখনো পর্যন্ত ২,৫২২ টি পদক জিতেছে, যারমধ্যে ১,০২২ টিই স্বর্ণ পদক।

আমেরিকা বিশ্বের অন্যতম পর্যটক ও আকাশযাপন স্থান। প্রতিবছর বহুলোক বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখার আশায় আমেরিকায় আসেন। আমেরিকার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো গ্রান্ড ক্যানিয়ন, ম্যানহাটন, গোল্ডেন গেট ব্রীজ, নায়াগ্রা জলপ্রপাত, লাস ভেগাস, ইয়োলোস্টোন, হোয়াইট হাউস, ওয়াল্ট ডিজনি ওয়ার্ল্ড, স্ট্যাচু অফ লির্বার্টি, ইউনিভার্সাল স্টুডিও হলিউড, রকি মাউন্টেইন ইত্যাদি।

এসব দর্শনীয় ও বিখ্যাত স্থান এবং উন্নত জীবনযাপনের উদ্দেশেই অনেক মানুষ পাড়ি দেন সপ্নের আমেরিকার উদ্দেশ্যে।

এক নজরে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র

রাষ্ট্রীয় নাম : ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা

রাজধানী : ওয়াশিংটন ডিসি

স্বাধীনতা : ৪ জুলাই ১৭৭৬

সরকার পদ্ধতি : প্রেসিডেন্ট শাসিত

রাজনৈতিক পদ্ধতি : গণতন্ত্র

আলোচিত প্রেসিডেন্ট : জন আব্রাহাম লিংকন, ডোনাল্ড ট্রাম্প

বর্তমান প্রেসিডেন্ট : জো বাইডেন

প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট : বারাক ওবামা

প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ফার্স্ট লেডি : মিশেল ওবামা

কৃষ্ণাঙ্গরা প্রথম ভোটাধিকার পায় : ১৯৫৭ সালে

ওবামা নির্বাচনে অংশ নেয় : ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে

ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতীক : গাধা

রিপাবলিকান পার্টির প্রতীক : হাতি

আয়তন : ৯,৮২৬,৬৭৫ বর্গকিলোমিটার (৩,৭৯৪,১০০ বর্গমাইল)

উপকূলীয় অঞ্চল : ১৯,৯২৪ কিমিলোমিটার (১২,৩৮০ মাইল)

সীমান্ত রাষ্ট্র : দুটি (কানাডা, মেক্সিকো)

জনসংখ্যা : ৩১৮,৮৮১,৯৯২ জন

জনসংখ্যার ঘনত্ব : ৩৫ জন (প্রতি বর্গকিলোমিটারে)

জনসংখ্যায় : বিশ্বে তৃতীয়

গড় আয়ু : ৭৯ বছর (প্রায়)

মহিলাদের প্রত্যাশিত আয়ু : ৮২ বছর (প্রায়)

পুরুষদের প্রত্যাশিত আয়ু : ৭৬ বছর (প্রায়)

মুদ্রা : ডলার

অঙ্গরাজ্য : ৫০টি

কলোনি সংখ্যা : ১৩টি

সবচেয়ে বড় অঙ্গরাজ্য : আলাস্কা

সবচেয়ে ছোট অঙ্গরাজ্য : রোডস আইল্যান্ড

পতাকায় ব্যবহৃত তারকা সংখ্যা : ৫০টি

পতাকায় ব্যবহৃত ডোরার সংখ্যা : ১৩টি

সাবেক হলিউড অভিনেতা ও রাষ্ট্রপতি : রোনাল্ড রিগ্যান (৪০তম রাষ্ট্রপতি)।

স্ট্যাচু অব লিবার্টির স্থপতি : ফ্রেদারিক অগাস্তে বারথল্ডি

হোয়াইট হাউসের স্থপতি : আইরিশ স্থপতি জেমস হবান

প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর : পেন্টাগন (ওয়াশিংটন)

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অফিস ভবন : পেন্টাগন

মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র : নাসা।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers