বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ , ১২ শাবান ১৪৪৫

ফিচার
  >
মানচিত্র

উত্তর ইউরোপের দেশ লাটভিয়া

নিউজজি ডেস্ক ৯ এপ্রিল , ২০২৩, ১২:৩২:০১

366
  • ছবি: ইন্টারনেট

ঢাকা : লাটভিয়া উত্তর ইউরোপের ছোট একটি দেশ। রিগা বৃহত্তম শহর, প্রধান বন্দর ও রাজধানী। লাটভিয়া বাল্টিক সাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। লাটভিয়াতে ১২ হাজারের মত নদী ও প্রায় ৩ হাজার হ্রদ আছে। মাত্র ২৫% এলাকা কৃষিকাজের উপযোগী। প্রাচীনকাল থেকে বাল্টিক সাগরের তীরের দেশটি ইউরোপীয়দের জন্য ছিল বেশ অকর্ষণীয়। আয়তন বাংলাদেশের চেয়ে অর্ধেকেরও কম। ৬৪ হাজার ৫ শত ৮৯ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা ২৩ লাখের মত। তাও আবার চার থেকে পাঁচ লাখের মত নাগরিক পৃথিবীর নানা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

ছোট দেশটিতে ২০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল রয়েছে। রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান। সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে মনোনয়ন দেন প্রেসিডেন্ট। এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদের সদস্য সংখ্যা ১০০। তারাও চার বছরের জন্য নির্বাচিত হন। দেশটি ২৬টি জেলায় বিভক্ত। রয়েছে সাতটি শহর।

১৯৯১ সালে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পুনঃযাত্রা করে। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করার জন্য লাটভিয়ায় পাড়ি জমান। প্রতি বছর লাতভিয়াতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ১০% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাষা লেটভীয় ও রুশ। মুদ্রার নাম লাট্স। ইউরোও চলে।

লাটভিয়ায় মাত্র হাজারখানেক মুসলমানের বাস। ইউরোপের এই ছোট্ট দেশে মাত্র তিনজন নারী বোরকা পরিধান করতো। দেশটিতে বোরকা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে ২০১৬ সাল থেকে। (উল্লেখ্য, শুধু লাটভিয়া নয়, ২০১১ সাল থেকে ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ রয়েছে।) বাংলাদেশে কোন লাটভিয়ান দুতাবাস না থাকায় ভিসা নিতে হলে আপনাক যেতে হবে চীন কিংবা জার্মান এম্বেসীতে।

লাটভিয়ার জীবনযাত্রা ও পড়াশোনার খরচ কম ইউরোপের অন্য দেশের তুলনার কম। টিউশন ফি নির্ভর করে ইউনিভার্সিটি ও সাবজেক্টের উপর। তবে সে দেশে বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো ছাত্রছাত্রী নেই। লাটভিয়ার ৩ লক্ষ নাগরিকত্বহীন মানুষ রয়েছে।

লাটভিয়াতে প্রায় ৭০টির মত সংবাদপত্র রুশ ভাষাতে প্রকাশিত হয়। এছাড়াও আছে অনেকগুলো রুশ টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতার কেন্দ্র। লাটভিয়ার শিক্ষাব্যবস্থার প্রায় ৩০% ছাত্রের শিক্ষার মাধ্যম রুশ ভাষা। ১৩শ শতক থেকে লাটভিয়া ক্রমান্বয়ে জার্মানি, পোল্যান্ড ও রুশদের দ্বারা শাসিত হয়। লাটভিয়াতে চারজন বাংলাদেশী কর্মরত আছেন। রাজধানীতে একটা মসজিদ আছে। তবে নামাজ পড়তে তেমন কেউ আসে না। তাছাড়া দূর থেকে দেখলে চেনার কোনো উপায় নেই মসজিদটি।

নিউজজি/ এস দত্ত

 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন