শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮ , ১৫ সফর ১৪৪৩

ফিচার
  >
প্রাণী ও পরিবেশ

শান্তশিষ্ট কাঠবিড়ালি

নিউজজি ডেস্ক ১৯ জুলাই , ২০২১, ০২:১৫:৩৭

  • ছবি: ইন্টারনেট থেকে

ঢাকা : কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও?- এটা কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ছড়া। এই ছড়ার কারণে শৈশবেই আমরা কাঠবিড়ালি সম্পর্কে জ্ঞাত। আর এক সময় বাড়ির উঠোন থেকে দৌড়ে গিয়ে গাছের আড়ালে লুকিয়ে যেতে দেখেও আমাদের বিস্ময়ের সীমা ছিল না। 

ছোট কিন্তু খুব চঞ্চল প্রকৃতির প্রাণী কাঠবিড়ালি। আমরা হয়তো আনেকেই দেখেছি কাঠবিড়ালি , ছোট বেলায় হয়ত ছুটে বেরিয়েছি কাঠবিড়ালি ধরবার আশায় । কিন্তু চালাক এই প্রাণীটি ধরা যেন অসাধ্য । এই মনে হয় হাতের কাছেই, চেষ্টা করলেই ধরা যাবে কিন্তু চোখের পলকেই ছুট। এ-গাছ ও-গাছ করে কোথায় যে হারিয়ে যায় , খুঁজেই পাওয়া মুশকিল ।

কাঠবিড়ালী রোডেনশিয়া বর্গের স্কিউরিডে গোত্রের অনেকগুলো ছোট বা মাঝারি আকারের স্তন্যপায়ী প্রজাতির অন্যতম। মূলত এই বর্গের স্কিয়ারাস এবং টামিয়াস্কিয়ারাস প্রজাতিকেই কাঠবিড়ালী বলা হয়। এই প্রজাতিদুটো এশিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বাসিন্দা এবং এরা ঝাঁপালো লেজ বিশিষ্ট গাছে থাকা কাঠবিড়ালী। উড়ুক্কু কাঠবিড়ালী, এবং চিপমঙ্ক, প্রেইরী কুকুর, উডচাক প্রভৃতি মেঠো প্রজাতি স্কিউরিডে গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।

অস্ট্রেলিয়া এবং এন্টার্কটিকা ছাড়া পৃথিবীর সবখানেই কাঠবিড়ালীর দেখা পাওয়া যায়। গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের কিছু কাঠবিড়ালীর শরীরে সাদা-কালো ডোরা থাকে। কাঠবিড়ালীর সামনের পা দুটো ছোট এবং পেছনের পা দুটো বড় হয়ে থাকে, ফলে এরা খুব সহজেই লাফ দিতে পারে। উড়ুক্কু কাঠবিড়ালীর সামনের পা থেকে পেছনের পা পর্যন্ত শরীরের সাথে লোমশ চামড়া সংযুক্ত থাকে। 

এক সময় আমাদের বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতেই কাঠবিড়ালি ছিল । এখন তেমনটি নেই । অল্প কিছু জেলাতেই কাঠবিড়ালি টিকে আছে । আবাস ধ্বংস , মাংসের জন্য ও সখের শিকারের ফলে এরাও বাংলাদেশের অন্য সব বন্যপ্রাণীর মত বিপন্ন ।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers