সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮ , ১৫ জিলহজ ১৪৪২

ফিচার
  >
বিশেষ কলাম

বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত পররাষ্ট্রনীতিতে সংশয়

শহীদুল্লাহ ফরায়জী ২৭ মে , ২০২১, ১৩:২৫:৩৮

  • বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত পররাষ্ট্রনীতিতে সংশয়

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে সরকার বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত পররাষ্ট্রনীতির ‘লিগেসি’ থেকে সরে আসার কৌশল গ্রহণ করছে বলে মনে হয়।

বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ও পরাশক্তির ইচ্ছাকে প্রাধান্য না দিয়ে প্রচণ্ড প্রতিকূলতার মধ্যেও ‘জাতীয় স্বার্থে’ বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে ওআইসি সম্মেলনে যোগদান করেন এবং সম্মেলনে বলেন ‘আমরা তাদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার অস্বীকার করতে দেখেছি। অকথ্য দুর্ভোগের মাঝে তাদের ঠেলে দিতেও আমরা দেখেছি। আর এসব অবর্ণনীয় যাতনার চূড়ান্ত নিদর্শন হয়ে আছেন আমাদের ফিলিস্তিনি ভাইয়েরা। আর এ জন্যই অতীতের তুলনায় আজ এ শক্তিকে প্রজ্ঞার সঙ্গে কাজে লাগানোর প্রয়োজন বেশি।’

তিনি আরো বলেছিলেন- ধ্বংস নয় সৃষ্টি, যুদ্ধ নয় শান্তি, দুর্ভোগ নয়, মানুষের কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা যদি মহানবীর প্রচারিত মানবপ্রেম ও মর্যাদার শাশ্বত মূল্যবোধ আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত করতে পারি তাহলে বর্তমানকালের সমস্যা সমাধানে মুসলিম জনসাধারণ সুস্পষ্ট অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এসব মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে শান্তি ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে আমরা একটি নতুন আন্তর্জাতিক ঐতিহ্য গড়ে তুলতে পারি। এ সম্মেলন শুধু আরব ভাইদের সংগ্রামের প্রতি সমর্থনে আমাদের ঐক্য সংহত করার জন্যই নয়, বরং জোটনিরপেক্ষ দেশগুলোর সঙ্গে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও প্রগতিশীল শক্তিগুলোর সঙ্গে আমাদের একাত্মতা ঘোষণার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

আর আমরা এখন ‘মান রক্ষার্থে’ সে নির্দেশনা উপেক্ষা করার জন্য অজুহাতের আশ্রয় নিচ্ছি।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘জাতীয় স্বার্থ’ এবং ‘মান রক্ষা’ কোনোক্রমেই সমকক্ষ হতে পারে না। ইয়াসির আরাফাত বেঁচে থাকলে অবাক বিস্ময়ে বাংলাদেশ সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতেন। ইসরাইল প্রশ্নে এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ‘ঐতিহাসিক দুর্ঘটনা’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট থেকে ‘ইসরাইল ছাড়া সব দেশ ভ্রমণ করা যাবে’ কথাটি বাদ পড়ায় বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইসরাইল এখনো ‘বর্ণবাদী’, ‘নিষ্ঠুর’,  সমরবাদী ও ভণ্ডামিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। জাতি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আমাদের অনড় অবস্থান স্বাধীনতার উষালগ্ন থেকেই। এর ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের পাসপোর্টে ইসরাইলকে নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সরকার হঠাৎ করে পাসপোর্টে নিষিদ্ধ তালিকা থেকে ইসরাইলকে প্রত্যাহার করে নেয়ায় বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সংশয়ের উদ্ভব ঘটেছে।

কারণ ইসরাইলের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের রক্তাক্ত সংঘাতের অবসান এখনো হয়নি, বৈরী ইতিহাসের পরিসমাপ্তি ঘটেনি এখনো।

বাংলাদেশের পাসপোর্টে বর্ণবাদী দক্ষিণ আফ্রিকাও এককালে বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ নিষিদ্ধ দেশের তালিকায় ছিল। পরবর্তীতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা বর্ণবাদের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে সভ্যতার দিকনির্দেশক রাষ্ট্রে পরিণত হয়, ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার নাম নিষিদ্ধ দেশের তালিকা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।

সরকারের  ইসরাইলমুখী সৌহার্দ্যের রহস্য উন্মোচন করা জাতীয় প্রয়োজনেই জরুরি। কী ভূ-রাজনীতির নিরিখে সরকার এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তাও জাতিকে অবহিত করা উচিত। কারণ এ ধরনের সিদ্ধান্ত অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও গভীর বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে। সরকারের কাছে হঠাৎ কেন ইসরাইল তুষ্টি অপরিহার্য হয়ে উঠছে তার তাৎপর্যও বিশ্লেষণ করতে হবে।

যখন তখন বোমায় ফিলিস্তিনি শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে, ইসরাইলি জঙ্গি বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গাজা নগরী যখন মৃতপুরীতে পরিণত হচ্ছে, ইসরাইল দখলদারদের হাত যখন ফিলিস্তিনি জনগণের রক্তে রঞ্জিত, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র যখন লণ্ডভণ্ড হয়ে যাচ্ছে এবং একটি নৃ-গোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্নকরণ করার প্রক্রিয়া চলছে, তখন  ইসরাইলের প্রতি বাংলাদেশের নীতিহীন সৌহার্দ্য সমপ্রীতির নিদর্শন মুক্তিকামী মানুষদের দারুণভাবে আহত করেছে। কী রাজনৈতিক দর্শনে বাংলাদেশের পাসপোর্টে ইসরাইলের নিষিদ্ধকরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয় আর এখন কী কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে, এটা পর্যালোচনা করা খুবই প্রয়োজন।

স্বাধীনতার লগ্ন থেকেই বাংলাদেশ ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামে সমর্থন দিয়ে আসছে। হঠাৎ করে এই ধরনের নাটকীয় সিদ্ধান্তের পেছনে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা সরকারের উদ্দেশ্য কী তা অনুসন্ধান করা আমাদের কর্তব্য।

এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রশ্নে সরকারের কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা নেই। ইসরাইলি বর্ণবাদ এবং আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’-এর যে ‘মানসিক স্থাপত্য’ তা সরকারের এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে জাতীয় স্বার্থ বা জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিন্দুমাত্র প্রতিফলন নেই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র অনুযায়ী মাস দুয়েক আগে বাংলাদেশ সরকারি পাসপোর্ট থেকে ইসরাইল ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গটি বাদ দেয়, যদিও সরকার বলছে বাংলাদেশের নাগরিকদের ইসরাইল ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। উল্লেখ্য, এ পরিবর্তন নাকি করা হয়েছে পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক মানের স্বার্থে। কিন্তু বাংলাদেশের পাসপোর্টে ইসরাইল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তাইওয়ান এই তিনটি দেশ নিষিদ্ধ থাকার পরও মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। এখন কেন নতুন করে এ প্রশ্ন উত্থাপিত হলো।

পরিবর্তনের আগে রাষ্ট্রের মান কতোটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল আর পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রের মান কতোটুকু ঊর্ধ্বমুখী হবে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণও সরকারকে জনগণের সামনে হাজির করতে হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো ঝুঁকিপূর্ণ ইস্যু চলমান থাকা অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত রাষ্ট্রের জন্য কতোটুকু সহায়ক হবে তাও গভীরভাবে পর্যালোচনা করা দরকার।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত পররাষ্ট্রনীতি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক মানের স্বার্থে বদল করা হয়েছে তা একেবারে অবিশ্বাস্য ও বিস্ময়কর। ফিলিস্তিনের উপর ইসরাইলের অবিরাম সহিংসতা ও মানবিক বিপর্যয় সরকারকে ন্যূনতম স্পর্শ করতে পারেনি।

এ ঘটনা বাংলাদেশের মধ্যপ্রাচ্য বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। এটা মাত্র শুরু, ভবিষ্যতে ইসরাইলমুখী অভিযাত্রা থেকে সরকারকে বিরত রাখা হবে খুবই কঠিন।

প্রশ্ন জাগে গত ৫০ বছর ধরে মানহীন পাসপোর্ট নিয়ে উন্নয়নের কাতারে যদি বিশ্বের রোল মডেল  হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ তাহলে হঠাৎ করে পাসপোর্টের মান কেন জাতি রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য  হয়ে পড়লো। ইসরাইলের বিরুদ্ধে সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষ যখন প্রচণ্ড বিক্ষোভে ফেটে পড়ছে তখন বাংলাদেশ কেন ইসরাইলের কাছে একটি ‘দারুণ খবর’ উপহার দেয়ার জন্য জরুরি প্রয়োজন মনে করলো?

ইসরাইলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের উপ-পরিচালক গত শনিবার একটি টুইট করেন। তিনি টুইটারে লেখেন দারুণ খবর! ইসরাইলের ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশ সরকারকে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আহ্বান জানাই এতে দুই দেশের জনগণ উপকৃত হবে এবং সমৃদ্ধি লাভ করবে।

যখন ইসরাইল ফিলিস্তিনিদেরকে নির্বিচারে হত্যা করছে এবং তাদের উপর বিরামহীন সামরিক তৎপরতা চালাচ্ছে তখন বাংলাদেশ কী করে এমন পদক্ষেপ নিতে পারে যাতে ইসরাইল আনন্দ সহকারে স্বাগত জানাতে সুযোগ পায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন- এই পরিবর্তনে ইসরাইলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পরিবর্তনের কিছু নেই। বলাই বাহুল্য এগুলো পরিবর্তনের কৌশলগত অবস্থান মাত্র।

কিন্তু সম্পর্কের পরিবর্তন না হলেও যেকোনো বাংলাদেশি এখন তৃতীয় দেশের ইসরাইলি দূতাবাসে গিয়ে এই পাসপোর্টেই ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। যে কেউ ব্যবসায়িক স্বার্থে ইসরাইল ভ্রমণ করে ফেলবেন। আর ভ্রমণ করার পর শাস্তি অনেককেই নিবৃত্ত করতে পারবে না। কেউ ব্যবসার নামে উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি আমদানি করার সুযোগ নিতে পারেন  সকলের অলক্ষ্যে।

আন্তর্জাতিক মান রক্ষাই যদি পররাষ্ট্রনীতির জন্য অনিবার্য হয়ে পড়ে  তাহলে সংবিধানের নির্দেশনা মোতাবেক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে, এসব বয়ান প্রতিনিয়ত জাতির সামনে উপস্থাপন না করাই হবে যথার্থ।

দুর্নীতির তালিকায়, গণতন্ত্রের তালিকায় এবং মতপ্রকাশের তালিকায় বিশ্বের অনেক দেশের মানদণ্ডে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। তাহলে এসব প্রশ্নে আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তা জানার জন্য জাতি অধীর অপেক্ষায় রয়েছে। গণতন্ত্র ছাড়া, সুশাসন ছাড়া আর আইনের শাসন ছাড়া যেকোনো মানই রক্ষা হয় না এটা নিশ্চয়ই সরকারের উপলব্ধিতে আছে। মান রক্ষাকে নিশ্চিত করতে হলে  স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ত্রয়ী আদর্শ ‘সাম্য’, ‘মানবিক মর্যাদা’ ও  ‘সামাজিক সুবিচার’-এর ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।

 আর  ‘রাষ্ট্রের মান’ কচুপাতার পানি নয় যা অতি সহজে ঝরে পড়বে!

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ইসরাইলের অর্থ এবং অস্ত্র সরবরাহের প্রস্তাব যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল তা এখনো পুরোপুরি বিদ্যমান। প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ করার অধিকার সমর্থন করাই বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার বৈশ্বিক রূপ। কোনোভাবেই আমরা তা পরিত্যাগ করতে পারি না।

আমাদের সংবিধানের ২৫ (গ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বর্ণবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বোচ্চ নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন। সংবিধানের এ নির্দেশনা সরকার ‘মান রক্ষার্থে’ লংঘন করতে পারে না।

হঠাৎ করে পাসপোর্ট থেকে ‘ইসরাইল’ প্রত্যাহার হওয়ায় দেশে দু’ধরনের পাসপোর্ট চালু থাকবে। একটি রাষ্ট্রের পাসপোর্টে দু’ধরনের নীতি থাকতে পারে না। দেশে এবং বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের কয়েক কোটি পাসপোর্ট সরকারকে নিজস্ব উদ্যোগে জনগণের ট্যাক্সের টাকায় দ্রুত সংশোধন করে দিতে হবে। কোনো নাগরিক পাসপোর্ট সংক্রান্ত অসাম্যতা নিয়ে আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করলে সরকার বড় ধরনের জটিলতায় পড়বে।

তাই জাতীয় স্বার্থে এখন সরকারের উচিত:

(১) বাংলাদেশের নাগরিকদের পাসপোর্ট পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া।

(২) আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের বর্ণবাদবিরোধী অবস্থান সুস্পষ্ট করা, এবং

(৩) বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু অনুসৃত নীতির প্রতি ন্যূনতম সম্মান প্রদর্শন করা।

বঙ্গবন্ধু প্রণীত এবং সংবিধানে নির্দেশিত নীতির বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি নড়বড়ে করে দেয়ার সরকারের কৌশল কোনোক্রমেই দক্ষ কূটনীতির পরিচায়ক নহে। সরকারের অপরিণামদর্শিতায় আমরা যেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির নির্মম ‘দাবা খেলা’র শিকারে পরিণত না হই।

লেখক: গীতিকার

faraizees@gmail.com

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers