মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ , ৪ জিলকদ ১৪৪২

ফিচার
  >
বিশেষ কলাম

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ও আমাদের স্বাধীনতা

শ্যামা সরকার ১০ মার্চ , ২০২১, ১৪:২৪:৫৫

  • ছবি: নিউজজি২৪

বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলার জনগণই ছিল তাঁর অন্তঃপ্রাণ। এ দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবেন, সোনার বাংলা গড়বেন- এটিই ছিল তাঁর জীবনের ব্রত। বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন ও আদর্শের মূলমন্ত্র ছিল ‘বিশ্বশান্তি’। তিনি জীবনব্যাপী নিপীড়িত, শোষিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলেছেন। মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি অপরিহার্য। এই শান্তিবাদী দর্শনের জন্য তিনি বিশ্বে অনুপ্রেরণার এক উৎস হয়ে আছেন। বাংলা ও বাঙালির সাথে মিশে আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

যতদিন রবে পদ্মা যমুনা

গৌরী মেঘনা বহমান

ততদিন রবে কীর্তি তোমার,

শেখ মুজিবুর রহমান!

দিকে দিকে আজও অশ্রæগঙ্গা

রক্তগঙ্গা বহমান

তবু নাই ভয়, হবে হবে জয়,

জয় মুজিবুর রহমান!

অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা ‘বঙ্গবন্ধু’ কবিতার পঙ্ক্তিমালা দিয়েই ‘ঐতিহাসিক মার্চ মাস’কে স্মরণ করছি। ৭ই মার্চের ভাষণ, ১৭ মার্চ জন্মদিন এবং ২৬ মার্চ- এই তিনটি দিবস মানেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সঙ্গে এ মাসটি জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণে সুস্পষ্টভাবেই ফুটে ওঠে স্বাধীনতার ঘোষণা। ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’ 

এ ভাষণটি শুধু বঙ্গবন্ধুর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণ নয়, পৃথিবীর অন্যতম নেতাদের দেয়া ভাষণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। আজ বিশ্ব ইতিহাসের সেরা ১০ ভাষণের মধ্যে অন্যতম ভাষণ হিসেবে এটি নির্বাচিত।

এবারের প্রসঙ্গ ‘মুজিববর্ষ’ ও মহান নেতার জন্মদিন। ‘মুজিববর্ষ’ হল বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষ। বাংলাদেশ সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিববর্ষ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বর্ষ উদযাপন করা হবে। (করোনাভাইরাসের কারণে গ্রহণ করা কর্মসূচিগুলো নির্ধারিত সময়ে করতে না পারায় মুজিববর্ষের মেয়াদ প্রায় ৯ মাস বাড়ানো হয়েছে)। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবিভক্ত ভারতের পূর্ববঙ্গে (বর্তমানে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে) ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। ২০২১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতার অর্ধশত বার্ষিকীতে পদার্পণ করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই ঘোষিত বর্ষটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পঁচিশে মার্চের কালরাতে পাকিস্তানিরা ঢাকায় সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও পুলিশ হত্যা করে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগপ্রধান বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

১৯৪৭-এ ভারত বিভাগ পরবর্তী পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে শেখ মুজিব ছিলেন তরুণ ছাত্রনেতা। পরবর্তীতে তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৪৮ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবির মধ্য দিয়েই এ মহান নেতার রাজনৈতিক কর্মপরিচালনার সূচনা ঘটে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন গণপরিষদের অধিবেশনে ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা’- এ ঘোষণার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে আন্দোলনের ডাক দেন তিনি। এখান থেকেই সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই পরিষদের আহ্ববানে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ঢাকায় ধর্মঘট পালিত হয়। ধর্মঘট পালনকালে শেখ মুজিবসহ আরও কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মীকে সচিবালয় ভবনের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু ছাত্রসমাজের তীব্র প্রতিবাদের মুখে ১৫ মার্চ শেখ মুজিব এবং অন্য ছাত্রনেতাদের মুক্তি দেয়া হয়। এদের মুক্তি উপলক্ষে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় র‌্যালি হয় যাতে তিনি সভাপতিত্ব করেন। 

এরপর থেকে বাঙালির ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র নির্বাচনসহ প্রত্যেকটি স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এ মহান নেতা। 

১৯৭০ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক আইনসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্তে¡ও মুজিবের দলকে সরকার গঠন করতে দেয়া হবে না। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় শেখ মুজিব স্বাধীনতার ডাক দেন এবং জনগণকে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত করেন।

ইয়াহিয়া খান সামরিক আইন জারি করেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং মুজিবসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রাজনৈতিক ও জনসাধারণের অসন্তোষ দমনে ২৫ মার্চ ‘অপারেশন সার্চ লাইট’  শুরু করে। সামরিক বাহিনীর অভিযান শুরু হলে মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ধানমন্ডির ৩২নং বাড়ি থেকে অয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। মূল ঘোষণা ছিল :

‘এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যকে উৎখাত করা এবং চ‚ড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।’

মুজিবকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ফয়সালাবাদের একটি জেলে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়। রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালি বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষকে আক্রমণ করে।

এ গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয় প্রতিরোধযুদ্ধ। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। 

গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে মুক্তিবাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন আনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন পরিস্থিতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে পর্যুদস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণের দলিল এবং সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাদি চ‚ড়ান্ত করার জন্য ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যাকব দুপুরে ঢাকা এসে পৌঁছান। বিকেল চারটার আগেই বাংলাদেশ বাহিনীর দুটি ইউনিটসহ চার ব্যাটালিয়ান সৈন্য ঢাকা প্রবেশ করে। সঙ্গে কয়েক সহস্র মুক্তিযোদ্ধা। ঢাকার জনশূন্য পথঘাট ক্রমশই জনাকীর্ণ হয়ে উঠতে শুরু করে ‘জয় বাংলা’ মুখরিত মানুষের ভিড়ে। বিকেল চারটায় ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান ও ভারত-বাংলাদেশ যুগ্ম-কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, পাকিস্তানের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।

১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান ৯৩ হাজার সৈন্যসহ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এরই মধ্য দিয়ে ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের অবসান হয়, প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রাণের এ স্বাধীনতা।   

মাত্র সাড়ে ৩ বছরে দেশ পুনর্গঠনের কাজে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন জাতির পিতা। দেশ যখন ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও সমৃদ্ধির পথে এগোচ্ছে ঠিক তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে কিছু বিপথগামী তরুণ সেনা কর্মকর্তা শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করে। তাঁর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে বেঁচে যান।

মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা ও বাংলাদেশ সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁরই স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার কাজে এগিয়ে চলেছেন। বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনে বিশেষ সাফল্য দেখিয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের পথে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে নিজেকে অনুকরণীয় হিসেবে উপস্থাপন করতে সমর্থ হয়েছেন। এমডিজি ও এসডিজির বাইরেও দেশের একটি উন্নয়নের রূপরেখা রয়েছে যেটির রচয়িতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর স্বপ্ন ‘ভিশন-২০২১’-এর আওতায় দেশকে ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত করা। 

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতেই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চ‚ড়ান্ত রূপ পায় বাংলাদেশ।

১৯৭৫ সাল থেকে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত পূরণ করে ২০১৮ সালে। জাতিসংঘের নিয়মানুযায়ী, কোন দেশ পর পর দুটি ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনায় উত্তরণের মানদÐ পূরণে সক্ষম হলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ‚ড়ান্ত সুপারিশ পায়।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি বা ইউএন-সিডিপির ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভা গত ২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। সেখানে দ্বিতীয় দফা পর্যালোচনা শেষে শুক্রবার (ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১) গভীর রাতে চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে। সিডিপি তিনটি সূচকের ভিত্তিতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে। তিনটি সূচকেই বাংলাদেশ শর্ত পূরণ করে অনেক এগিয়ে গেছে।

উন্নয়নশীল দেশ হতে একটি দেশের মাথাপিছু আয় হতে হয় কমপক্ষে ১২৩০ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশ ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১৮২৭ ডলার। মানবসম্পদ সূচকে উন্নয়নশীল দেশ হতে ৬৬ পয়েন্টের প্রয়োজন, বাংলাদেশের পয়েন্ট এখন ৭৫.৩। বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল যার নির্মাতা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র- সংবিধানের এ চার মূলনীতিকে প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়নে দল-মত, ধর্ম, বর্ণ-নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজন নিষ্ঠা ও একাগ্রতা। জেগে উঠবে বিবেক, এগিয়ে যাবে দেশ ও জাতি। ঐতিহাসিক মার্চ মাসে এই প্রত্যাশা।

লেখক

অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ও প্রধান

কমিউনিকেশন, পাবলিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ

প্রধান কার্যালয়, উদ্দীপন।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers