বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ , ৮ শাওয়াল ১৪৪৫

ফিচার

নিজ দেশে পরবাসী তারা!

ইউসুফ আলী বাচ্চু এপ্রিল ২, ২০২৪, ১৭:২৬:১৬

330
  • নিজ দেশে পরবাসী তারা!

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে অর্ধাশতাব্দীর বেশি সময়। এর মধ্যে সারা দেশের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বেড়েছে শিক্ষার হার, পরিবর্তন হয়েছে জীবনযাত্রার মান। তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম তিন জেলার বাঙালি জনগোষ্ঠীর জীবনমানের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। তারা যেন নিজ দেশেই পরবাসী। সরকারি সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে যোজন যোজন পিছিয়ে। আর বিদেশি সহয়তা তাতো মাত্র স্বপ্ন। বিদেশি এজজিওগুলোর সহয়তা শুধুমাত্র সাদা চামড়াওয়ালাদের জন্য। 

পাহাড়ে একটি আদিবাসী পরিবার যে পরিমাণ সরকারি সহযোগিতা পায় তার ছিটে ফোটাও জোটে না বাঙালিদের কপালে। তাদেরকে গালি দেয়া হয় সেটেলার বলে। এক সময় এই বাঙালিদের রাষ্ট্রের প্রয়োজনে দুর্গম পাহাড়ে পুনর্বাসন করা হয়। সে সময় জীবনযাত্রা খুবই কঠিন ছিল। তারপরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বসতি গড়েন তারা। এই বসতি করতে গিয়ে অনেকে হারিয়েছেন প্রিয়জনদের। শুধু একটু সুখের আশায় এত কষ্টের পরেও পাহাড়ে টিকে থাকেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বাঙালিদের প্রজন্ম।

নিজেদের প্রয়োজনে বাঙালিরা একটি শক্ত অবস্থান করলেও তাদের জীবনমানের কোনো পরিবর্তন আসেনি। এরপরেও যেকোনো অপরাধ সংঘটিত হলে দোষী করা হয় বাঙালিদের। এ জন্য তাদের মনে একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খায় বারবার এই বৈষম্যের শেষ কোথায়। আমরা কি পাপ করেছি এদেশে জন্মে। আমাদের জন্মই কি তাহলে আজন্ম পাপ। আমরা কি এদেশের মানুষ নয় ?

সময়টা ১৯৭৯ সাল। এই সময় সর্বপ্রথম বাঙালিরা পাহাড়ে বসতি স্থাপন করেন। তখন জীবনযাত্রা এত সহজ ছিল না, ছিল না কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থার ভালো পথ, একমাত্র বাহন ছিল নৌকা। আজ যেখানে যেতে এক বেলায় সম্ভব হয়, সেখানে তিন দিনেও যাওয়া যেত না। এর মধ্যে  হিংস্র জানোয়ার ও পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের উপদ্রব তো ছিলই। তারপরেও একটু সুখের আশায় পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো থাকার আশায় খেয়ে না খেয়ে দেশের মানচিত্রকে পাহারা দেয়। পাহারা দেয় দেশের সার্বভৌমত্বকে। 

তিন পার্বত্য জেলায় বাঙালির পাশাপাশি ১৩টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। উভয় জনসংখ্যা মিলে ১৯ লাখ বসবাস এই জনপদে। এরমধ্যে বাঙালি রয়েছে ৫০.০৬ এবং গোষ্ঠী ৫০.৯৪ ভাগ। এরপরেও দেশের অন্যান্য এলাকার চাইতে এখানকার বাঙালিরা পিছিয়ে। প্রশ্ন থেকেই যায় তারা কেন পিছিয়ে থাকবে? যুগের পর যুগ কেন এই বৈষম্য চলছে। 

রাজনৈতিক বিবেচনায় তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন থেকে উপজাতি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয় বার বার। রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দলগুলোও এখানে উপজাতিদের সঙ্গে উপজাতির প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন দেন। যে দলই হোক সরকার কিংবা বিরোধীদল। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বোর্ডের চেয়ারম্যান তাও উপজাতির লোক। উপজেলাগুলোতে একই অবস্থা। এরপর ইউনিয়ন পরিষদ গুরুতে কিছুটা ভিন্নতা আছে।

বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় কিছু জনপ্রিয় প্রতিনিধি বাঙালি আছে। বাঙালিরা যে ভুমিতে বসবাস করেন তার মালিকানা তাদের হাতে নেই। চাইলে তারা এই ভূমি বেচাকেনা কিংবা হস্তান্তর করতে পারেন না। এই ভূমির কর্তৃত্ব উপজাতিদের হাতে। মহাজন, কারবারি কিংবা হেডম্যান তাও উপজাতিদের মধ্যে থেকে নির্বাচন করা হয়। এই প্রথা প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলে আসছে।

এরপরে আসি শিক্ষা ক্ষেত্রে উপজাতি এবং বাঙালিদের মধ্যে বৈষম্য পার্বত্য জেলার একজন আদিবাসী পরিবারের সন্তান উচ্চশিক্ষার জন্য ইউরোপ-আমেরিকায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। তারা এক সময় খুব সহজে চলে যায়। ওই আদিবাসীর চেয়েও মেধাবী হয়ে একজন পার্বত্য বাঙালি পরিবারের সন্তান চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখার সুযোগও পায় না।

বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলে দেখা যায় ৬৪ মার্কস পেয়েও পার্বত্য বাঙালি পরিবারের সন্তান পড়ালেখার সুযোগ পায় না। কিন্তু ৪৩ মার্কস পেয়ে একজন উপজাতি ছাত্র খুব সহজেই উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে যায়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড থেকে প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীদের মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এখানেও দেখা যায়, নামে মাত্র কয়েকজন পার্বত্য বাঙালি ছাত্রছাত্রীকে বৃত্তি দিয়ে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয় উপজাতি ছাত্রছাত্রীদের। দরিদ্র মেধাবী বাঙালি ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার পর্যাপ্ত সুযোগ নাই। কিন্তু উপজাতীয় ছাত্রছাত্রীদের পাশে দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থার অভাব নেই। পাহাড়ের সর্ববৃহৎ জনগোষ্ঠী পার্বত্য বাঙালি। অর্থাৎ পাহাড়ের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক এই জাতি আসলেই যে পাহাড়ের নাগরিক সেটা যেন রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকরা জেনেও না জানার ভান করেন।

সরকারি চাকুরিতেও বাঙালিরা পিছিয়ে

পার্বত্য চট্টগামের বাঙালি ছেলে মেয়েদের যথেষ্ট মেধা আছে, যোগ্যতা আছে, কিন্তু সুযোগ নেই, মূল্যায়ন নেই। একই শ্রেণির প্রথম সারির বেঞ্চের ছাত্র বাঙালি, পরের বেঞ্চ কিংবা শেষ বেঞ্চের ছাত্র উপজাতি। বিসিএস পরীক্ষায় দেখা যায়, ক্লাসের শেষ বেঞ্চের ছাত্রটা উপজাতি হওয়ায় বিসিএস ক্যাডার, আর প্রথম বেঞ্চের ছাত্র বাঙালি হওয়ায় সেই অফিসের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। তবে বিসিএসে উপজাতি কোটা প্রথা বন্ধ হওয়ার পর এই চিত্রটা বদলালেও, দ্বিতীয়-তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে একচেটিয়া প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে উপজাতিদের।

ইদানিং বিভিন্ন কোম্পানির চাকরিতে মাঠ পর্যায়ে বাঙালিদের অবস্থান চোখে পড়ার মতো। আর সরকারি অফিসগুলোতে উপজাতিদের একচ্ছত্র প্রভাব বিদ্যমান। সরকারি চাকরিতে ১ জন বাঙালির বিপরীতে রয়েছে প্রায় অন্তত ৫ জন উপজাতি। এর কারণ হচ্ছে, সরকারি চাকরি না পেয়ে শিক্ষিত বেকার বাঙালিরা কোম্পানির চাকরি করে কোনোমতে জীবনযাপন করছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদে সরকারের ৩২টি দপ্তর আছে। প্রতিটি দপ্তরের কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয় জেলা পরিষদের মাধ্যমে। জাতিগত কোটা ভিত্তিক নিয়োগে জেলা পরিষদে বরাবরই মেধাবী পার্বত্য বাঙালিরা উপেক্ষিত। পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম সর্বোচ্চ বাঙালি জনবসতিপূর্ণ একটি উপজেলা লংগদু। এই উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ৮৪,৪৭৭ জন।

যার মধ্যে ৬৩,৫৯৫ জন বাঙালি এবং ২০,৮৮২ জন উপজাতি। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ৭৫% হচ্ছে বাঙালি। বাঙালি জনগোষ্ঠীবহুল লংগদু উপজেলায় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের বিভিন্ন নিয়োগে দেখা যায় যে, ৬৫% উপজাতিদের জন্য এবং ৩৫% বাঙালিদের জন্য বরাদ্দ রেখে নিয়োগ দেয়া হয়।

জনসংখ্যার দিক থেকে লংগদু উপজেলায় উপজাতিরা ২৫%। কিন্তু, চাকরি ক্ষেত্রে তাদের জন্য বরাদ্দ ৬৫% পদ বরাদ্দ থাকে। এই যদি হয় বাঙালি অধ্যুষিত উপজেলার চিত্র তাহলে নানিয়াচর, বরকল, বিলাইছড়ি, জুরাইছড়ি, রাজস্থলী উপজেলার চিত্র কী? যেখানে জনসংখ্যার দিক থেকে বাঙালিরা কম? 

সুতারাং কোটাভিত্তিক অগ্রাধিকার পেয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিরা এগিয়ে যাচ্ছে। একই পরিবেশে জন্মে পার্বত্য বাঙালিরা পিছিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে সর্বদিক থেকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হচ্ছে পাহাড়ের বাঙালিরা। সরকার কিংবা রাষ্ট্র উপজাতিদের প্রতি সহানুভূতিশীল, তাতে বিন্দুমাত্র আপত্তি নাই। উপজাতিদের সুবিধা থেকে কেটে পার্বত্য বাঙালিদের সুবিধা দিতে হবে এমন ও নয়।

বরং সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে মেধারভিত্তিতে বাঙালিদের তাদের প্রাপ্য সুযোগটুকু দিতে অসুবিধা কোথায়? বাস্তব ক্ষেত্রে একই অবস্থানে থেকে একই পরিবেশের একটি পক্ষকে উন্নত করে আরেকটি পক্ষকে দমিয়ে রাখা অত্যন্ত দুঃখজনক। পাহাড়ের জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃস্থানীয় সকল পদ উপজাতিদের দখলে, সরকারি চাকরির উপজাতিদের দখলে, দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুযোগ-সুবিধা উপজাতিদের দখলে, দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থাদের সাহায্য সহযোগিতা উপজাতিদের জন্য। তাই এ প্রশ্ন ওঠা খুব স্বাভাবিক, পার্বত্য বাঙালিরা কি রাষ্ট্রের নাগরিক নয়? তারা কি নিজ দেশে পরবাসী।

পার্বত্য বাঙালিরা পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশের মানচিত্রের পাহারাদার। দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বেও পাহাড়ে বাঙালিদের অস্তিত্ব ছিল। পার্বত্য বাঙালি থেকে রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী একজনও নাই। যেমনটা আছে উপজাতিদের ক্ষেত্রে। তারপরও কোন দিক বিবেচনায় পার্বত্য বাঙালিদের সর্বদিক হতে পিছিয়ে রাখা হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর নতুন প্রজন্মের কাছে অজানা।

সচেতন মহলের একটাই প্রশ্ন, এই বৈষম্যের শেষ কোথায়? পাহাড়ের বাঙালিরাও তো মানুষ, তাদেরও তো আত্মবিকাশের অধিকার রয়েছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশে পার্বত্য বাঙালিদের সাম্প্রদায়িক তকমা দিয়ে আর কতকাল পিছিয়ে রাখা হবে? আর কতকাল নিজ দেশে পরবাসী হয়ে থাকতে হবে?

পাহাড়ে চাঁদাবাজির ভুক্তভোগী বাঙালি

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৬ বছরেও সশস্ত্র গ্রুপগুলোর কারণে পুরোপুরি শান্তি ফিরে আসেনি পাহাড়ে। দিন দিন বেড়েই চলেছে আঞ্চলিক সশস্ত্র গ্রুপগুলোর তৎপরতা। আর পাহাড়ে যে পরিমাণ চাঁদাবাজি তারও ভুক্তভোগী বাঙালি।  প্রতিনিয়ত চলাচলের জন্য দিতে চাঁদা। শুধু যাত্রী চলাচল নয়, বাঁশ, কাঠ, ফলসহ পাহাড়ি অন্যান্য পণ্য রাঙ্গামাটি যায় এ শুভলং পয়েন্ট হয়ে। পণ্য বহনকারী প্রতিটি ট্রলার ও নৌকা মালিককে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে হয় আঞ্চলিক সশস্ত্র গ্রুপগুলোকে। এই কারণে শুভলং পয়েন্টে আধিপত্য ধরে রাখতে আঞ্চলিক সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে জেএসএস (মূল), জেএসএস (সংস্কার), ইউপিডিএফ (মূল) ও ইউডিএফ (ডেমোক্রেটিক)-সহ অন্যান্য উপজাতীয় সংগঠনগুলো নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে দেশের জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করে থাকে।

জানা যায়, প্রতি মাসে শুভলং পয়েন্ট অতিক্রমসহ কাপ্তাই লেক এলাকায় লঞ্চ ও বোট মালিকদের দিতে হয় দুই হাজার টাকা করে। প্রতি নৌকার মাঝিকে দিতে হয় দুই হাজার টাকা। সিএনজিচালিত অটোরিকশাপ্রতি এক হাজার ২০০ টাকা। মুদি দোকানদারকে দিতে হয় ৮০০ টাকা। দোকান মালিক দেন দুই হাজার টাকা। ব্যবসায়ী সমিতি থেকে দেয়া হয় ২০ হাজার টাকা। মাছ ব্যবসায়ীকে দিতে হয় পাঁচ হাজার টাকা। আদা ও হলুদের ব্যবসায়ীদের দিতে হয় দুই হাজার টাকা। গরু ব্যবসায়ীদের দিতে হয় ১০ হাজার টাকা। সবজি ব্যবসায়ীরা দেন এক হাজার টাকা করে।

এছাড়া সেগুনবাগানের মালিকদের দিতে হয় পাঁচ হাজার টাকা। ফলের বাগান মালিককে দিতে হয় এক হাজার টাকা। পাড়ার প্রতিটি পরিবারকে ২৫০ টাকা, রেস্টুরেন্ট প্রতি ৩০ হাজার টাকা ও পার্ক বাবদ ২০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়। যেখানে যে গ্রুপের আধিপত্য সেখানে তারাই এসব চাঁদার টাকা নিয়ে থাকে। সবমিলিয়ে প্রতিবছর তিন পার্বত্য জেলায় সশস্ত্র গ্রুপগুলো ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে থাকে বলেও জানা যায়।

লেখক: সাংবাদিক

বি.দ্র.- (এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। নিউজজি২৪ডটকম-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন