বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ , ১ মুহররম ১৪৪৮

বিনোদন

বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার মনতাজুর রহমান আকবর

নিউজজি ডেস্ক  জুলাই ৩১, ২০২৫, ১৩:২৯:১১

220
  • সংগৃহীত

ঢাকা: মনতাজুর রহমান আকবর হলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক, সমাজকর্মী ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মারপিট ও প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য পরিচিত। তিনি মান্নার সঙ্গে ২২টি, ডিপজলের সাথে ২১টি এবং আব্দুল্লাহ জহির বাবুর সঙ্গে ৪৬টি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। এছাড়াও তার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ডিপজল, সাদিকা পারভিন পপি, কেয়া, রিয়া সেন, শাকিবা, সংগীতা, অন্তরা বিশ্বাস, আকাশ খান এবং পুষ্পিতা পপির মতো অভিনেতাদের চলচ্চিত্রে আবির্ভাব ঘটে। তিনি প্যানারোমা মুভিজ, নয়ন-আপন প্রডাকশন, স্টারপ্লাস, প্রচেষ্টা, ড্রামা সার্কেল, চলতে চলতে এবং ফার্নিচার ভিলেজের প্রতিষ্ঠিতা।

মনতাজুর রহমান আকবর ১৯৫৭ সালের ৩১ জুলাই তার গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর। আক্কেলপুরে আকবরের বাবার তখন মৎস আড়ত ছিলো এবং ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার। তার মা রুপজান বিবি গৃহিণী। আকবর ১৯৭৮ সালে ১৩ মার্চ মরিয়ম রহমানকে বিয়ে করেন, তার তিন ছেলে, বড় ছেলে অপু মনোয়ার একাত্তর টিভির নিউজরুম সম্পাদক। আকবর পড়াশুনার পাশাপাশি বাবার ব্যবসার জন্য বিভিন্ন এলকায় যেতেন। বাবার ব্যবসায় দেখার পাশাপাশি কলেজের থিয়েটারের সাথে যুক্ত ছিলেন।

আকবর ১৯৭৩ সালে মেট্রিক পাস করেন আক্কেলপুর এফ ইউ পাইলট হাই স্কুল থেকে এবং ১৯৭৫ সালে ইন্টারমেডিয়েট পাস করেন আক্কেলপুর এম আর ডিগ্রী কলেজ থেকে। কলেজে পড়াকালীন থিয়েটার পরিচালনা করতেন সারা বছর ধরে। তিনি স্থানীয় বেশ কিছু ক্লাব তন্মধ্যে আক্কেলপুর আদর্শ ক্লাব, আক্কেলপুর এমআর কলেজ ক্লাব, চান্তারা ক্লাবের সদস্য ছিলেন। বেশ কিছু থিয়েটার এর অন্যতম সংগঠক হিসাবে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৭ সালে রাজশাহী এডুকেশন বোর্ড এর অধীনে জয়পুরহাট ডিগ্রী কলেজ থেকে বি.এ.পাস করেন।

মনতাজুর রহমান আকবর ২০০০ সালে তার গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাটে উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য আত্মীয়-স্বজনদের সহযোগিতায় প্রচেষ্টা নামক এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন। এনজিও ফোরাম, ডেমোক্রেসি ওয়াচ এর মত দাতা সংস্থার সহযোগিতায় স্যানিটেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তিনি ছাত্র জীবনে আক্কেলপুর থানা সংসদে ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন। সেখান থেকে যুদ্ধে যাওয়ার সাহস পান। মনতাজুর রহমান আকবর যুদ্ধ চলাকালে পানিখনি শিলিগুড়িতে প্রশিক্ষণ নেন। তিনি সেক্টর কমান্ডার কাজী নূরুজ্জামান-এর অধীনে ১৯৭১ সালে ৭ নম্বর সেক্টরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, গ্রুপ কমান্ডার ছিলো সাইদুর রহমান।

মনতাজুর রহমান আকবর ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মঞ্চদলের নাটকে নির্দেশনা দেন। কলেজ জীবনের এই সময়ে মঞ্চ-নাট্য পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। তিনি এসময় আক্কেলপুর আদর্শ ক্লাব, আক্কেলপুর এমআর কলেজ ক্লাব, চান্তারা ক্লাবের হয়ে অনেকগুলো নাটক পরিচালনা করেন, যেগুলো মধ্যে মালার প্রেম, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা অন্যতম।

আকবর সহকারী পরিচালক হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৮০ সালে পরিচালক আজিজুর রহমানের সহকারী হিসেবে ছুটির ঘণ্টা চলচ্চিত্রে প্রথম কাজ করেন। পরবর্তীতে তার সহকারী হিসেবে ১৯৮১ সালে জনতা এক্সপ্রেস, মহানগর, সোনার তরী, ১৯৮২ সালে যন্তর মন্তর, ১৯৮৩ সালে মেহমান এবং ১৯৮৪ সালে মায়ের আঁচল চলচ্চিত্রে কাজ করেন। মতিন রহমানের সহকারী হিসেবে ১৯৮৩ সালে লাল কাজল, ১৯৮৯ সালে বীরঙ্গনা সখিনা ও ১৯৯২ সালে রাধা কৃষ্ণ চলচ্চিত্রে কাজ করেন। এছাড়াও তিনি জিল্লুর রহমানের মিস লোলিতা, আঁচল বন্দী, শুকতারা ও তকদিরের খেলা, নারায়ণ ঘোষ মিতার সুখের সংসার, আফতাব খান টুলুর দুনিয়া, এবং সাইফুল আজম কাশেমের দুনিয়াদারি চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।

আকবর ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ন্যায় যুদ্ধ পরিচালনার মাধ্যমে তার পরিচালক হিসাবে অভিষেক ঘটে, এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও সুচরিতা। যদিও আকবর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র টাকার পাহাড়, যা ১৯৯৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল। পরের বছর জনপ্রিয় জুটি ইলিয়াস কাঞ্চন ও দিতিকে নিয়ে নির্মাণ করেন চাকর, ৬০ লাখ টাকা বাজেটের ছবিটি সেই সময় ২ কোটি টাকা আয় করে ১৯৯২ সালের টপ চার্টে উঠে আসে।এরপর সেই সময়ের নাম করা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলমগির পিকচারস থেকে ডাক পরে তার, এই প্রডাকশনের ব্যানারে নির্মাণ করেন অভিনেতা মান্নাকে নিয়ে তার প্রথম চলচ্চিত্র প্রেম দিওয়ানা (১৯৯৩)।

এতে মান্নার বিপরীতে অভিনয় করেন চম্পা। ছবিটি ব্যবসাসফল হলে এই জুটিকে নিয়ে নির্মাণ করেন ডিসকো ডান্সার (১৯৯৪), বশিরা (১৯৯৫), বাবার আদেশ (১৯৯৫) ও খলনায়ক (১৯৯৬), ১৯৯৬ সালে মৌসুমিকে নিয়ে নির্মাণ করেন লেডি একশান চলচ্চিত্র বাঘিনি কন্যা, মান্নাকে নিয়ে খলনায়ক, ওমরসানি ও আমিন খানকে নিয়ে শয়তান মানুষ। ১৯৯৭ সালে আমার মা, অন্ধ ভালোবাসা ও ঈদুল ফিতরে মুক্তি পায় তার পরিচালিত কুলি। এই ছায়াছবির মাধ্যমে অভিষেক হয় চিত্রনায়িকা পপির, ছবিটি ৭ কোটি টাকা আয় করে। পরবর্তীতে আকবর পপিকে নিয়ে নির্মাণ করেন কে আমার বাবা (১৯৯৯), ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী (২০০১), ও লেডি অ্যাকশন ছায়াছবি বস্তির রানী সুরিয়া (২০০৪)। ১৯৯৮ সালে মান্না অভিনীত শান্ত কেন মাস্তান ব্যবসাসফল হয়, ছবিটি ৯০ লাখ টাকা বাজেটে নির্মিত হয়ে ৮ কোটি টাকা আয় করে একই বছর তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ করেন মনের মত মন। এতে অভিনয় করেন বাংলাদেশের আমিন খান এবং ভারতের মোহিনী ও ভিক্টর ব্যানার্জি। ছায়াছবিটি ভারতের ওড়িশা রাজ্যে ওড়িয়া ভাষায় রাজা রানী নামে মুক্তি পায়।

২০০০ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ করেন মনে পড়ে তোমাকে। এতে প্রথমবারের মত বাংলাদেশী ও বাংলা ছায়াছবিতে অভিনয় করেন কলকাতার অভিনেত্রী রিয়া সেন। প্যানারোমা মুভিজের ব্যানারে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন কুখ্যাত খুনি, ছবিটি সেই বছর ব্লকবাস্টার হয়, ৯০ লাখ বাজেটের ছবিটি ব্যবস্যা করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। মিরপুর গাবতলিতে এই ছবির প্রিন্ট ছিনতায় হয়ে যায়, পরে নতুন করে প্রিন্ট করে দিতে হয়। এই বছর মুক্তি পায় আরমান প্রডাকশনের গুন্ডা নাম্বার ওয়ান, এই ছবিটিও ব্লকবাস্টার ব্যবস্যা করে।

২০০১ সালে তিনি পরিচালনা করেন কঠিন বাস্তব, রিয়াজ, আমিন খান ও কেয়া অভিনীত ছায়াছবিটি এই বছর হিট সিনেমার তালিকায় নাম লেখায়। এটি চিত্রনায়িকা কেয়ার প্রথম চলচ্চিত্র। ইলিয়াস কাঞ্চন ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কে নিয়ে নির্মাণ করেন চেয়ারম্যান। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ব্যবসা করার জন্য মননিবেশ করেন। তিনি কলেজ জীবনে বাবার ব্যবসা দেখাশুনা করতেন। তার বাবার মাছের আড়ত থাকার সুবাদে বিভন্ন্য এলাকায় চলাফেরা করা এবং ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ছিলো। চলচ্চিত্র ব্যবস্যার ভাটা পরায় তিনি (২০০১ - ২০১৪) সালে জয়পুরহাটে অপু ইলেকট্রনিক্স বাজার নামে ওয়াল্টন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউশন নেন।

২০০২ সালে প্যানারোমা মুভিজের ব্যানারে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন ভয়ানক সংঘর্ষ। ২০০৩ সালে টপ সম্রাট, কঠিন সীমার, বউয়ের সম্মান, বিগ বস পরিচালনা করেন, বিগ বস চলচ্চিত্র একটি গানের কথাও লিখেছেন তিনি, বাঁচাও, টপ সম্রাট প্যানারোমা মুভিজের ব্যানারে প্রযোজনাও করেন। ২০০৪ সালে মুক্তি পায় আমিন খান অভিনীত জীবনের গ্যারান্টি নাই ও ভন্ড নেতা এবং মান্না ও মৌসুমী অভিনীত ভাইয়ের শত্রু ভাই। ২০০৫ সালে একশ্যান লেডি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন, পারভেজ ফিল্মসের ভয়ংকর রাজা পরিচালনা করেন। ২০০৬ সালে নয়ন-আপন প্রডাকশন নামে প্রডাকশন কোম্পানি খোলেন, যার ব্যানারে ২০০৬ সিসটেম এবং ২০০৭ সালে নিষিদ্ধ প্রেম প্রযোজনা করেন তার স্ত্রী মরিয়ম রহমান।

২০০৮ সালে স্টারপ্লাসের ব্যানারে এককভাবে প্রযোজনা করেন বাবার জন্য যুদ্ধ। এটি ছিল মান্নাকে নিয়ে নির্মিত শেষ ছায়াছবি। ছায়াছবিটি ব্যবসাসফলতা লাভ করে। ২০০৯ সালে ডিপজল ও রেসিকে নিয়ে নির্মাণ করেন কাজের মানুষ। ছায়াছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে এবং তিনি জনতার নিঃস্বার্থ পারসোনালিটি অ্যাওয়ার্ডে সেরা পরিচালকের পুরস্কার অর্জন করেন। একই বছর রিয়াজ ও শাবনূর জুটিকে নিয়ে নির্মাণ করেন রোমান্টিক ঘরানার তুমি আমার স্বামী, তিনি ২০০৯ সালে এনটিভিতে প্রচারিত ট্যালেন্ট হান্ট শো সুপার হিরো সুপার হিরোইন অনুষ্ঠানের বিচারক। ২০১০ সালে সঙ্গীতশিল্পী এসডি রুবেল ও শাবনূরকে নিয়ে নির্মাণ করেন এভাবেই ভালোবাসা হয় পরিচালনা ও স্টারপ্লাসের ব্যানারে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন শাকিব খান অভিনীত টপ হিরো। এছাড়া ডিপজল ও রেসীকে নিয়ে নির্মাণ করেন রিকশাওয়ালার ছেলে ও মায়ের চোখ।

২০১১ সালে আকবর ডিপজল ও রেসীকে নিয়ে নির্মাণ করেন ছোট্ট সংসার ও ডিপজল, রেসী ও নিপুণকে নিয়ে নির্মাণ করেন বাজারের কুলি। ছায়াছবিটি ব্যবসাসফল হয়, জি বাংলার মিরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার অনুষ্ঠানের বাংলাদেশী অডিশনের বিচারক। ২০১৩ সালে মাহিয়া মাহী ও বাপ্পি চৌধুরী জুটিকে নিয়ে নির্মাণ করেন তবুও ভালোবাসি, আকবর চলচ্চিত্রের পাশাপাশি টেলিভিশন নাটকও পরিচালনা করেছেন তিনি ২০১৩ সালে পাখাল নাটক পরিচালনা করেন। এক ঘণ্টার নাটকটি এই বছর ঈদুল ফিতরে মোহনা টেলিভিশনে প্রচারিত হয়, একুশে টেলিভিশনের ভয়েজ অফ দ্য ন্যাশন অনুষ্ঠানের বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৪ সালে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন আগে যদি জানতাম তুই হবি পর, গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত ত্রিভুজ প্রেমের এই ছায়াছবিতে অভিনয় করেন অভি, পুষ্পিতা পপি ও আরিয়ান শাহ, এটি তিন জনেরই প্রথম ছায়াছবি। এই বছর পরিচালনা করেন ধারাবাহিক নাটক পাখি এবং মানুষেরা, নাটকটি চ্যানেল আই-এ প্রচারিত হয়, জয়পুরহাটে মরিয়ম ট্রেডারস নামে প্রান কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউশন নেন। এছাড়া একই বছরে পরিচালনা করেন মাই নেম ইজ সিমি।

২০১৫ সালে পরিচালনা ও প্রযোজনা করেন আকাশ খান ও আঁচলকে নিয়ে বোঝেনা সে বোঝেনা, ২০১৫ সালে ফার্নিচার ভিলেজ নামে ফার্নিচারের নিজস্ব একটি ব্রান্ড দাড় করান, (২০১৬ - ২০১৭) সালে চলতে চলতে নামে একটি ফ্যাশন হাউজ খোলেন। ২০১৬ সালে ইউনাটেড ক্লাবের প্রযোজনায় নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা নাটকটি পূণরায় নির্দেশনা দেন তিনি। ২০১৭ সালে তিনি দুলাভাই জিন্দাবাদ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন। এতে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন ডিপজল, মৌসুমী, বাপ্পি চৌধুরী ও বিদ্যা সিনহা সাহা মীম। এই ছবির মাধ্যমে প্রায় ১২ বছর পর আকবরের ছবিতে কাজ করেন মৌসুমী।

২০১৮ সালে জয়পুরহাটে ড্রামা সার্কেল নামে একটি মঞ্চদল প্রতিষ্ঠা করেন, যার প্রথম নাটক ছিল স্বাধীনতা আমার মা। ২০১৯ সালে আরটিভি তে প্রচার পায় তার নাটক কুয়াশা। আকবর ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে মোহনা টিভির প্রজোযনায় ২০ লাখ টাকায় আয়না ও কাজের ছেলে নির্মাণের মাধ্যমে নতুনভাবে স্বল্প বাজেটে চলচ্চিত্র নির্মাণের ধারাটির সূত্রপাত করেছেন। ৭ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে কাজী সাহেবের তিন পুত্র ইউটিউব মুক্তি পায়।

নিউজজি/পিএম

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers