শুক্রবার, ৬ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮ , ২৬ জিলহজ ১৪৪২

শিল্প-সংস্কৃতি
  >
সঙ্গীত

রবীন্দ্রসঙ্গীতের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

ফারুক হোসেন শিহাব ১২ অক্টোবর , ২০১৯, ১৪:৫৭:০৪

  • রবীন্দ্রসঙ্গীতের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

জীবদ্দশায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, ‘আমার গান যাতে আমার গান বলে মনে হয় এইটি তোমরা কোরো’। কথাটি তার গানের নিজস্বতা বা স্বাতন্ত্রিক সত্ত্বার বিষয়টিকেই ইঙ্গিত করে। সময়ের বিবর্তনে এখন রবীন্দ্রনাথের গানের স্বভাব কিংবা ঢং কতটা মৌলিকত্ব বজায় থাকছে সেটি আসলে ভাববার বিষয়।  

অনেকের গায়কীতেই এখন রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিচিত্র প্রকাশ দেখা যায়। আধুনিকায়নের মিশেলে গায়কীতেও বদল ঘটেছে। যে কারণে এতদিন পর প্রশ্ন উঠেছে এতো গায়কীর মধ্যে কোনটি তার নির্বাচিত, কাঙ্ক্ষিত, কিংবা তার গানের প্রকৃত ঢং।

তবে  রবীন্দ্রসঙ্গীতের যথার্থ সুর, ঢং বা ঘরানাকে প্রকৃত গায়কীতে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে যে ক’জন সঙ্গীতশিল্পী আজন্ম সাধনার মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথের গানকে গণমানুষের কাছে ছড়িয়ে দিয়েছেন তাদেরই একজন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী ও শিক্ষিকা কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। কবিগুরু যার নাম ‘অণিমা’ থেকে কণিকা রেখেছিলেন, যার গানে মুগ্ধ হয়ে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডাকতেন ‘আকবরী মোহর’ সেই কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনো সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে অনন্য উজ্জ্বল হয়ে আছেন। 

রবীন্দ্রসঙ্গীত জগতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ শিল্পীদের মধ্যে কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশেষত টপ্পা অঙ্গের রবীন্দ্রসঙ্গীতে তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক গায়িকা। রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়া অতুলপ্রসাদের গানেও তিনি সমান পারদর্শী ছিলেন; যদিও এই ধারায় তার রেকর্ড সংখ্যা খুব বেশি নয়। জীবনের অধিকাংশ সময় শান্তিনিকেতনে অতিবাহিত করলেও তার জনপ্রিয়তা পশ্চিমবঙ্গের সীমানা ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও পরিব্যাপ্ত ছিল।

১৯২৪ সালের ১২ অক্টোবর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার সোনামুখীতে কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম। পিতা সত্যচরণ মুখোপাধ্যায় ছিলেন বিশ্বভারতী গ্রন্থাগারের কর্মী ও মা অনিলা দেবী ছিলেন শান্তিনিকেতনের আশ্রমজননী। তাদের পাঁচ কন্যা ও তিন পুত্রের মধ্যে কণিকা ছিলেন জ্যেষ্ঠ।

পিতৃদত্ত নাম অনিমা। বিষ্ণুপুরের মামাবাড়ির যৌথ পরিবারে তার শৈশব কাটে। পরে খুব অল্পবয়সে পিতার কর্মস্থল শান্তিনিকেতনে চলে যান। তখন তাকে ভর্তি করা হয় ব্রহ্মচর্যাশ্রম বিদ্যালয়ে। এই সময় এক কালবৈশাখীর সন্ধ্যায় উত্তরায়ণের বাগানে আম চুরি করতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ। সহজাতসঙ্গীত প্রতিভার কারণে তিনি সেই বয়সেই কবির বিশেষ স্নেহভাজন হয়ে পড়েন। 

১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথ তার ‘অণিমা’ নামটি পরিবর্তন করে ‘কণিকা’ রাখেন। অবশ্য ডাকনাম হিসাবে তিনি ব্যবহার করতেন ‘মোহর’। পরে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার এই ‘মোহর’ নামটি বিস্তারিত করে বলেছিলেন ‘আকবরী মোহর’। ১৯৩৫ সালেই শিশুশিল্পী হিসাবে প্রথম মঞ্চাবতরণ করেন কণিকা। 

শান্তিনিকেতনের শারদোৎসবে একটি অনুষ্ঠানে বালক-বালিকাদের দলে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জানা যায়, রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তার সেই প্রথম ও শেষ মঞ্চাবতরণ; কারণ সেই অনুষ্ঠানটিই ছিল রবীন্দ্রনাথের শেষ মঞ্চাভিনয়। ২৪ জুলাই ১৯৪০ বোলপুর টেলিফোন কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ওগো তুমি পঞ্চদশী গানটি গেয়েছিলেন। গানটি তিনি সরাসরি রবীন্দ্রনাথের কাছেই শেখেন। এই অনুষ্ঠানটি বেতারে সম্প্রচারিত হয়। এটিই কণিকার প্রথম বেতার অনুষ্ঠান। 

এরপর ১৯৩৭ সালে প্রথম কলকাতার ছায়া সিনেমা হলে আয়োজিত বর্ষামঙ্গল উৎসবে কণিকা রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দ্বৈতকণ্ঠে ছায়া ঘনাইছে বনে বনে গানটি গেয়েছিলেন। কলকাতার মঞ্চে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পীরূপে সেটিই ছিল তার প্রথম আত্মপ্রকাশ। এই সময়ে অনেকগুলি গান রবীন্দ্রনাথ তাকে স্বয়ং শিখিয়েছিলেন। কণিকা অভিনয় করেছিলেন তাসের দেশ নাটকের দহলানী, ডাকঘর নাটকের সুধা, বিসর্জন নাটকের অপর্ণা ও বশীকরণ নাটকের নিরুপমা চরিত্রে।

১৯৩৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নীহারবিন্দু সেনের কথায় ও হরিপদ চট্টোপাধ্যায়ের সুরে দুটি আধুনিক গান রেকর্ড করেন কণিকা। গানদুটি ছিল ‘ওরে ওই বন্ধ হল দ্বার’ ও ‘গান নিয়ে মোর খেলা’। সেই বছরেই হিন্দুস্তান রেকর্ড কোম্পানি থেকে তার প্রথম রবীন্দ্রসঙ্গীতের রেকর্ড প্রকাশিত হয়। এই গ্রামোফোন রেকর্ডের একপিঠে ছিল ‘মনে কী দ্বিধা রেখে গেলে চলে’ এবং অন্যপিঠে ছিল ‘না না না ডাকব না, ডাকব না’। 

১৯৩৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হিন্দুস্তান রেকর্ডের তালিকা পুস্তিকায় লেখা হয় – ‘কুমারী কণিকা মুখার্জ্জির প্রথম রেকর্ডখানি সকলের তৃপ্তি সাধন করিয়াছে। এবার তাহার আর একখানি রেকর্ড বাহির হইল। এই গান দুখানি শুনিয়া সকলেই প্রীতিলাভ করিবেন।’

এই গান দুটি ছিল ‘ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে’ ও ‘ওই মালতীলতা দোল ‘। পূর্বের রেকর্ড ও এই রেকর্ডের চারখানি গানই রবীন্দ্রনাথের শোনা কণিকার রেকর্ডকৃত গান। জানা যায়, এই গানগুলি শুনে তিনি খুশিই হয়েছিলেন।

কণিকান নিজের কথায়, ‘ততদিনে তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক যেন কত সহজ। আজ জানি, তখনই তিনি অন্যদের কাছে কত ‘‘মহান’’, কত ‘‘বিরাট’’, কত ‘‘বিশাল’’, কিন্তু তখন তিনি আমার অতি আপনজন। আমার আবদার করার, আমার নালিশ জানাবার, আমার অভিমান করবার, আমার সমাধান খুঁজে দেবার মানুষ তিনি।’

১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর সময় কণিকা ছিলেন শান্তিনিকেতনে। এই সময় রবীন্দ্রনাথের নির্দেশ মতো ‘সমুখে শান্তি পারাবার’ গানটি যে বৃন্দদলে গাওয়া হয়, সেই দলে ছিলেন কণিকা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই গানটি মৃত্যুর কয়েক বছর আগে রচনা করলেও, রবীন্দ্রনাথের নির্দেশে তাঁর মৃত্যুর পরেই প্রকাশিত ও গীত হয়। 

এরপর ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী, শৈলজারঞ্জন মজুমদার, শান্তিদেব ঘোষ, অমিতা সেন, রমা কর প্রমুখ খ্যাতনামা রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষকের কাছে গান শিখতে থাকেন কণিকা। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নেন হেমেন্দ্রলাল রায়, অশেষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভি ভি ওয়াজেলওয়ার, পি এন চিনচোর ও ধ্রুবতারা যোশির কাছে। ভজন শেখেন জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ ও প্রকাশকালী ঘোষালের কাছে। কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায়ের পিতা হরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নিকট শেখেন অতুলপ্রসাদের গান। এছাড়াও কমল দাশগুপ্ত ও ফিরোজা বেগমের কাছে কিছুকাল নজরুলগীতিও শেখেন কণিকা।

কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৪২ সাল থেকে হিজ মাস্টার্স ভয়েসের শিল্পী। ১৯৪৩ সালে তিনি বিশ্বভারতীর সঙ্গীত ভবনে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষিকা হিসাবে যোগদান করেন কণিকা। এই বছরেই আকাশবাণীর নিয়মিত শিল্পীরূপে তিনি যোগ দেন। পরবর্তীকালে বিশ্বভারতীর এমিরিটাস অধ্যাপকও হন তিনি। 

১৯৪৪ সালে কলকাতায় গীতবিতানসঙ্গীত বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নৃত্যনাট্য মায়ার খেলা মঞ্চস্থ হলে কণিকা সেই নাটকে প্রমদার চরিত্রটি করেন। এই অনুষ্ঠানেই হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সূত্রে তিনি পরিচিত হন বাঁকুড়ার বীরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। পরের বছর বৈশাখ মাসে বিশ্বভারতী গ্রন্থাগারের কর্মী, রবীন্দ্র-বিশারদ ও আত্মকথা বাদে কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত সকল গ্রন্থের সহলেখক বীরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি পরিণয়-সূত্রে আবদ্ধ হন। 

আনন্দধারা বহিছে ভুবনে কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বাধিক জনপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীত। ১৯৫৬ সালে এই গানটি তিনি প্রথম রেকর্ড করেন। গানটি তিনি শিখেছিলেন সঙ্গীতচর্চার রমেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে। এই গানটি ছাড়াও ‘বাজে করুণ সুরে’সহ রবিঠাকুরের বহু গান কণিকার কণ্ঠে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার বিদেশ ভ্রমণ করেন। ১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা; ১৯৭৬, ১৯৮০ ও ১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ড এবং ১৯৮০ সালেই জার্মানি, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড-সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ সফর করেন। কিন্তু তার আত্মকথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তার যে বিদেশ-ভ্রমণের কথা সেটি বাংলাদেশ। তার কথায়, ‘আমি বহুবার বাংলাদেশে গেছি। বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আমার জীবনে অমূল্য সম্পদের মত সঞ্চিত হয়ে আছে।’ তিনি বাংলাদেশে আসেন ১৯৭২, ১৯৭৩, ১৯৭৪, ১৯৮৬ ও ১৯৯৪ সালে।

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে তার সাক্ষাতের একটি চিত্র আঁকা আছে তার আত্মকথায়। পরবর্তীকালে তার প্রিয় ছাত্রী ও বিশিষ্ট বাংলাদেশী রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার তত্ত্বাবধানে তিনি বাংলাদেশ সফর করেন। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক আমন্ত্রিত হয়ে শেষবার বাংলাদেশ ভ্রমণে আসেন কণিকা। 

সঙ্গীত জগতের অপর এক প্রবাদপ্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুচিত্রা মিত্র ছিলেন তার কৈশোরের বন্ধু। দেবব্রত বিশ্বাস, দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়, নীলিমা সেন প্রমুখ শিল্পীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। সঙ্গীত জগতের পাশাপাশি সাহিত্য জগতেও তার বন্ধু ও গুণমুগ্ধ ছিলেন অনেকে। সৈয়দ মুজতবা আলি, অবধূত, নরেন্দ্রনাথ মিত্র, মহাশ্বেতা দেবী, সমরেশ বসু, নিমাই ভট্টাচার্য, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব গুহ প্রমুখের সঙ্গেও ছিল তার স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্ক। 

ব্যক্তিজীবনে কণিকা ছিলেন অত্যন্ত লাজুক; সংকোচ ছিল তার নিত্যসঙ্গী। অপরিচিত স্থানে গান গাইতে যেতে বেশ ভয় পেতেন তিনি। শোনা যায়, সত্যজিৎ রায় তার কাঞ্চনজঙ্ঘা ছবির গানে নেপথ্যশিল্পী হিসাবে তার নাম ভেবেছিলেন; কিন্তু কলকাতায় এনে অপরিচিত পরিবেশে তাকে দিয়ে রেকর্ড করানোর ঝক্কির কথা মাথায় রেখে সে পরিকল্পনা বাতিল করেন। যদিও সত্যজিৎ ও তার স্ত্রী বিজয়া রায় উভয়েই ছিলেন কণিকার গুণমুগ্ধ ও পরম বন্ধু । সত্যজিতের শেষ ছবি আগন্তুক-এ ব্যবহৃত সাঁওতাল নৃত্যের দৃশ্যটি কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবস্থাপনায় তোলা হয়। 

১৯৮৪ সালে সঙ্গীত ভবনের অধ্যক্ষের পদ থেকে অবসর নেন কণিকা। ১৯৯৩ সালে বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ ‘মোহর’ নামে তাঁর জীবনভিত্তিক একটি তথ্যচিত্র তোলেন। এর প্রযোজক ছিল ফিল্ম মেকার্স কনসর্টিয়াম। তার শেষজীবন কাটে শান্তিনিকেতনে। 

অসুস্থতার কারণে শেষদিকে তাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ রোগভোগের পর ২০০০ সালের ৫ এপ্রিল কলকাতাতেই তার জীবনাবসান হয়। রবীন্দ্রসদন চত্বরে শায়িত তার মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলার সকল ক্ষেত্রের দিকপালগণ। পরে শান্তিনিকেতনের আশ্রমিক শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

বর্ণিল সঙ্গীতজীবনে কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন বহু পুরস্কার-সম্মাননা। ১৯৭৩ সালে জাহ্নবী যমুনা বিগলিত করুণা ছবিতে আনন্দধারা বহিছে ভুবনে গানটি গেয়ে পান বি এফ জে এ পুরস্কার। ১৯৭৮ সালে পান গোল্ডেন ডিস্ক ই এম আই গ্রুপ। সঙ্গীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার পান ১৯৭৯ সালে।

একইভাবে ১৯৮৬ সালে হন পদ্মশ্রী। ১৯৯৬ সালে পান এশিয়ান পেন্টস শিরোমণি পুরস্কার। ১৯৯৭ সালে বিশ্বভারতীর সর্বোচ্চ সম্মান দেশিকোত্তম দ্বারা সম্মানিত করা হয় তাকে। ১৯৯৮ সালে পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্র তাকে সম্মান জানান। ১৯৯৯ সালে পান আলাউদ্দিন পুরস্কার। এছাড়া মৃত্যুর পরে কলকাতার বিখ্যাত সিটিজেন্স পার্কটিকে তার নামে উৎসর্গিত করা হয়। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল লাগোয়া এই সুরম্য বিশাল উদ্যানটির বর্তমান নাম মোহরকুঞ্জ।

নিউজজি/এসএফ

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers