বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ , ৭ সফর ১৪৪৮

শিল্প-সংস্কৃতি

খুব শীগগিরই চরম বিশৃঙ্খল যে পৃথিবী আমরা দেখতে যাচ্ছি সেই পৃথিবীর গল্প বলে ‘চিলড্রেন অব ম্যান’

আসিফ রহমান সৈকত ১২ জুন, ২০২৬, ১৪:২৩:৩০

492
  • খুব শীগগিরই চরম বিশৃঙ্খল যে পৃথিবী আমরা দেখতে যাচ্ছি সেই পৃথিবীর গল্প বলে ‘চিলড্রেন অব ম্যান’

ডিস্টোপিয়ান সোসাইটিতে শাসনব্যবস্থার আদর্শ কোনো অবস্থা থাকে না। সেখানে থাকে একটা নিপীড়নমূলক সমাজ, একদলীয় স্বৈরতান্ত্রিক সরকার যারা পুলিশ-আর্মি দিয়ে দেশ চালায়। আইন বলতে থাকে শুধু ক্ষমতা, অস্ত্র, পেশীশক্তির ব্যবহার। যুবসমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে এই সমাজ অনেক সময়ই ড্রাগসহ-নেশাগ্রস্ত করে  রাখা বা ক্রিকেট-ফুটবল আর সিনেমা-গান-যৌনতার মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগে মাতিয়ে রাখে  টিনেজার আর যুবসমাজকে; অথবা নিজেকে মিথ্যে স্টার ভাবার নতুন কৌশল যেমন  টিকটক, ফেসবুক নিয়ে মাতিয়ে রাখতে ভালোবাসে। ধরেন আপনি চান যে আপনার যুব সমাজ সারাদিন টিকটক নিয়ে ব্যস্ত থাকুক আপনি মোবাইল অপারেটরদেরকে বলে টিকটক প্যকেজ বের করবেন যেখানে টিকটক ব্যবহার করলে একদম পানির দরে আপনি ইন্টারনেট দিবেন, মানে শুধু টিকটক ব্যবহারেই এই ইন্টারনেটের দাম কম থাকে। খবর শুনতে, আর্টিকেল পড়তে যে ইন্টারনেট,  তার জন্য আপনাকে দশগুণ দাম দিতে হয় হয়তো। এটা ডিস্টোপিয়ান স্টেটে বা রাষ্ট্রে হতে পারে বা হয়েই থাকে। অথবা সারাদিন কনসার্ট আর যৌন মেলামেশাতে যুবসমাজকে উদবুদ্ধ করা বা মারামারি করতে, মব জাস্টিসের নামে মানুষ মারাতে যুবসমাজকে, তরুণদের উদবুদ্ধ করা, এগুলো ডিস্টোপিয়ান সোসাইটির দিকে একটা যাত্রা। অথবা আপনি বাচ্চাদের কাছে , তরুণদের কাছে নিজেকে সস্তা জনপ্রিয় করতে, নিজের আসন বা ক্ষমতা পোক্ত করতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর তাদেরকে দিয়ে হামলা করাতেও পিছপা হন না।  ২০২৭ সালের ইংল্যান্ড ( কল্পিত সময়, ২০০৬ সালে নির্মিত সিনেমা চিল্ড্রেন অব ম্যান , Children of MEN) সেইরকম একটা ডিস্টোপিয়ান দেশ, যেখানে রিফিউজিরা একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত, তারা নির্যাতিত, কুকুর-বিড়ালের মতো বন্দী, দেশব্যাপী , সরকার এবং রিফিউজিদের মধ্যে মারামারি, সশস্ত্র সংগ্রাম, দুই পক্ষের কাছেই অস্ত্র, সব মিলিয়ে একটা বিশৃংখল সমাজ। এর মধ্যে  ১৮ বছর বা প্রায় দুই দশক ধরে পৃথিবীতে নতুন কোনো মানুষ, কোনো বাচ্চা বা  কারো সন্তান জন্ম নিচ্ছে না। এক অদ্ভূত অবস্থা।(বাংলাদেশের অনেক লোক মানতেই চাইবে না যাদের বাচ্চা পয়দা করাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য!) পৃথিবীতে নতুন মানুষের জন্ম না হওয়ায়  সবাই শংকিত পৃথিবীর ভবিষ্যত নিয়ে। এটা নিয়ে পৃথিবী জুড়ে যুদ্ধাবস্থা আর চরম হতাশাজনক পরিস্থিতি । সভ্যতা একেবারে যেন ধ্বংসের শেষ অবস্থায়। আর একটা পুলিশি রাষ্ট্র কুকুরের মতো রিফিউজিদের ধরে ধরে কনসেন্ট্রেশন ক্যম্প এ নিয়ে রাখছে, অথবা দূরে কোথাও পাঠিয়ে দিচ্ছে। এটা নিয়ে রিফিউজিদের মধ্যেও চরম ক্ষোভ সেখান থেকে রিফিউজি আর ব্রিটিশ মানবিক মানুষদের নিয়ে গড়া সশস্ত্র সব দল সরকারের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে সরকারি আমলা থিও ফেরন ( ক্লাইভ ওয়েন ) তার প্রাক্তণ স্ত্রী জুলিয়ান টেইলর ( জুলিয়ান মুর) এর সশস্ত্র দল  থিও-কে ধরে নিয়ে গিয়ে তাকে একটা এসাইনমেন্ট দেয় এবং ৫ হাজার পাউন্ডের লোভ দেখিয়ে তাদের একজনের জন্য একটা সরকারি  ট্রানসিট পেপার (Transit Paper)  যোগাড় করে দিতে বলে। পরে আমরা দেখি যে সেটা আসলে ‘কী’ (Kee) নামে একজন তরুণী মেয়ের জন্য যে কি না দীর্ঘদিন পরে প্রথম একজন নারী যিনি সন্তানসম্ভাবা। এবং এই মেয়ে সম্পর্কে বর্তমান সরকার  কিছুই জানে না। জানলে সরকার এই মেয়েকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নতুন করে জনগনকে নিজেদের পছন্দমতো নতুন বয়ানে নিজেরদের সাফল্যের দাবি করে ভিন্ন বয়ানে সবার সামনে হাজির করবে, এই আশঙ্কা রিফিউজিদের মনে। কারণ যে রিফিউজিদের প্রতি ঘৃণা এবং সহিংসতা সরকার দেখাচ্ছে সেই রিফিউজিদের থেকেই নতুন মানুষ পৃথিবীতে আসতে যাচ্ছে এটা সরকার বলতে চায় না। রিফিউজিদের হাতে পৃথিবীর ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনো বার্তা বা কথা বলতে ব্রিটিশ সরকার বিব্রত বোধ করে। ঐদিকে রিফিউজিরা সরকারকে বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না। টাকার লোভেই হোক অথবা নিজের প্রিয় স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার কারণেই হোক থিও ঐ সম্ভাব্য মা এর জন্য ট্রানসিট পাস যোগাড় করার কাজটা করে দেয় ; কারণ থিও  এবং  জুলিয়ানের বাচ্চা ছোট বেলাতেই মারা যায় যেটা তাদের মধ্যে সম্পর্কে চিড় ধরায় এবং জুলিয়ান থিও-কে সেটা নিয়ে অনেক অভিযোগও করে ।

জুলিয়ান মনে করে থিও তার পাশে না থেকে সন্তান হারানোর পুরো কষ্টটা এড়িয়ে গেছে। সন্তানকে নিয়ে পুরো কষ্টটা, পরে মৃত্যু যন্ত্রণার পুরো সময়টা জুলিয়ানকে একাই বহন করতে হয়েছে। বাকি সিনেমা জুড়ে এই  রিফিউজি সন্তান সম্ভাবা মা “কী’ কে নিরাপদ জায়গাতে সরিয়ে নেয়ার মিশনটাই সামনে গল্পটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।  তবে আলফোনসো কুয়ারনের কারণে ছবির দৃশ্যায়ন, পরিকল্পনা, এডিটিং ( সম্পাদনা) সব মিলিয়ে সিনেমার জায়গা থেকে যে দৃশ্য দিয়ে অন্য জগত তৈরি করা সেটা এই সিনেমার বিশেষ বৈশিষ্ট্য, নইলে অন্য অনেকেই এই সিনেমা তৈরি করলেও সেটা সিনেমার কাহিনীর সাথে ভিজ্যুয়ালের যে তীব্রতা, অভিনবতা, লং টেক, ক্যমেরার যে মুভমেন্ট, গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়,  মব (একদল লাঠি-সোটা, অস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া দল) দিয়ে আক্রান্ত হওয়ার দৃশ্যে যে ক্যমেরার ব্যবহার, সেই দৃশ্যটা সিনেমার লেখাপড়াতেই একটা অভিনব সংযোজন।

নিরাপদ জায়গাতে সেই তরুণী মাকে (যার নাম ‘কী’/Kee)  নিয়ে  যাওয়ার পথে জুলিয়ান মারা যায়। তাই জুলিয়ান আর কিছু বলে যেতে পারে না থিও কে। কারণ তখন পর্যন্ত থিও নিজেও জানে না যে ঘটনাটা কি।  কিন্তু ‘কী’ নিজে থিও-কে জানায় যে সে প্রেগনেন্ট। সে থিও-কে বুঝাতে চায় যে কি জন্য জুলিয়ান জীবন দিয়েছে, কিসের জন্য থিও-এর প্রিয় মানুষ জীবন দিয়েছে।  ১৮ বছরের বেশি সময় পর পৃথিবী প্রথম সন্তানের খবর পেতে যাচ্ছে। এই ঘটনা রাজনৈতিকভাবেও খুবই স্পর্শকাতর। জুলিয়ান আসলে ‘কী’ কে নিয়ে যেতে চাচ্ছিলো ‘হিউম্যান প্রজেক্ট’ এ যেখানে মানুষের বন্ধাত্ব্যকে ঠিক করতে কাজ করছে একটি বিজ্ঞানীদের দল। জায়গাটা দেখানো হয়েছে এজোরেস ( এখন যেটাকে আমরা জানি পর্তুগালের স্বায়ত্তশাসিত একটা অঞ্চল) । জুলিয়ান মারা যাওয়াতে লিউক(চিওয়েটেল এজিওফার) এখন দলের নতুন প্রধান। কিন্তু কোনো একভাবে থিও-এর কাছে একটা ভয়াবহ তথ্য আসে। সে জানতে পারে, জুলিয়ানের মৃত্যুটা আসলে মব জাস্টিস টাইপের কিছু ছিলো না, কোনো মবের হামলার কারণে ছিল না, পুরো ব্যপারটা লিউক এমনভাবে সাজিয়েছিলো যাতে জুলিয়ান মারা যায় এবং পুরো ক্ষমতা লিউকের কাছে আসে আর  তার দল তাকে সন্দেহ না করে । কারণ লিউকের ইচ্ছা ছিলো “কী’ এর বাচ্চাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করার। থিও তো এখন জুলিয়ানের স্মৃতি আর ‘কী’ এর কথার পর তার নিজের জীবনের উদ্দেশ্য হিসাবে ‘কী’ এর বাচ্চাকে বাঁচানো ছাড়া আর কিছুকে  ভাবতে পারে না। জুলিয়ান মারা যাওয়ার পরে তাকে ভেবে গাড়ি থেকে একটু দূরে গিয়ে থিও-যে কান্নাটা করে সেটা দর্শককে নাড়া দেয়ার মতো এবং ক্লাইভ ওয়েনের অসাধারণ অভিনয় দক্ষতার একটা অনন্য উদাহরণ। এই রকম একটা ছোট অভিনয় পুরো একটা অ্যাকশনধর্মী সায়েন্স ফিকশন গল্পেও গভীর দ্যোতনা তৈরি করতে পারে। সেটা করেছেও , আমরা বুঝতে পারি যে থিও কতো গভীরভাবে আসলে জুলিয়ানকে ভালোবাসতো, তাদের মধ্যে সেই বন্ধুত্ব, সেই সম্পর্কটা যখন আবার পুরনো দিনের মতো আনন্দময় হয়ে উঠছিলো তখনই তো থিও হঠাৎ করে জুলিয়ানকে হারালো। তাদের বাচ্চাকে হারানোর যে বেদনা সেটা যে কতো গভীর ছিল জুলিয়ানের কাছে সেটাকে সে নতুন করে উপলব্ধি করে।  তাই যখন সে জানলো যে লিউকের চরম বিশ্বাসঘাতকতা আর জুলিয়ানকে হত্যার পরিকল্পনা তখন সেই মূহুর্তে থিও একটা কাজই করতে পারে, সেটা হলো  অনাগত বাচ্চার মাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং জুলিয়ানের পরিকল্পনাকে একটা সফল পরিণতি দেয়া।

থিও ‘কী’ আর মিরিয়ামকে নিয়ে পালায়। জাসপার পালমারের বাসায় গিয়ে উঠে থিও, সবাইকে নিয়ে। জাসপার পালমার ( মাইকেল কেইন) একজন প্রাক্তণ রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট। তার স্ত্রীকে জেনিসকে আমরা দেখি, যে কিনা নিজে একজন প্রাক্তণ সাংবাদিক যাকে সরকার নির্যাতনের ভেতর দিয়ে নিয়েছে দীর্ঘদিন। এই সরকার আর রিফিউজিদের দ্বন্দ্ব আর এর মধ্যে সত্যিকারের সৎ মানুষদের লড়াইয়ের গল্পেই এগিয়ে যায় ‘চিল্ড্রেন অফ মেন’ সিনেমাটি।

পরে সিনেমার শেষ পর্যন্ত আমরা দেখতে থাকি থিও আর কী দুইজন কিভাবে ‘হিউম্যান প্রজেক্ট শিপ’ দ্যা টুমরো ( বাঙলা করলে দাড়ায়, ‘আগামী’)  তে পৌছানোর চেষ্টা করে।পৌছাতে পারে কিনা সেটা সিনেমা দেখেই জেনে নিতে পারেন।

এই সংঘর্ষের সময় , পুলিশ-আর্মি আর রিফিউজিদের মধ্যে টেনশনের সময় আমরা দেখি, যখন দুই পক্ষই জানতে পারে ‘কী’ একজন নতুন মা, যার কোলে আসতে যাচ্ছে মানবজাতির নতুন সন্তান তখন দুই পক্ষই শ্রদ্ধার চোখে তাকে দেখে, তাকে জায়গা করে দেয়, যেনো  তাদের মাসীহা আসছেন, তাদের মুক্তিদাতা আসছেন।  আসলে দুই পক্ষেই এই প্রায় সবাই তো

আসলে সাধারণ মানুষ , তারা ভালোই চান কিন্তু তাদেরকে কলুষিত করেন নোংরা, লোভী রাজনীতিবিদরা যাদের কাছে স্বার্থচিন্তা ছাড়া কিছুরই মূল্য নাই। যারা রাজনীতির জন্য নিজের ছেলে মেয়েকেও বিক্রি করে দিতে পারে। কোনো এক জায়গায় আলফোনস কুয়ারন বলেছিলেন, “আমি নতুন নতুন দুনিয়া, নতুন নতুন ইউনিভার্স, নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আগ্রহী। আমি সবসময় বলেছি যে  নতুন ফিল্ম বানানোর একমাত্র কারণ কোনো ফলাফল অর্জন করা নয় , বরং পরের ফিল্মের জন্য তুমি কি শিখলে সেটা ( নিয়ে ভাবা)”।  চিল্ড্রেন অফ মেন ২০০৬ সালের চলচ্চিত্র এর পর আমরা ২০১৩ তে পাই স্পেস বা মহাকাশ নিয়ে ‘গ্রাভিটি’ তারপর পাই উনার সেরা একটা ক্লাসিক কাজ ‘রোমা’ যেটা ২০১৮। এবং আমরা বুঝতে পারি যে এক একটা পুরো অন্যরকম কাজ। কোনো রিপিটেশন না । জনরার জায়গা থেকে, ক্যমেরা আর এডিটিং এর জায়গা  থেকেও। তখন বুঝতে পারি উনার কথাটার মর্ম। অথোর ফিল্মমেকারদের মানে যারা নিজেদের পুরো সিনেমার প্রায় সবকিছু নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে চান সেই জায়গা থেকে দেখি শেষ তিনটা সিনেমাতেই তিনি চিত্রনাট্য লেখা, সম্পাদনা এবং পরিচালনা এমনকি সিনেমাটোগ্রাফিতেও তিনি নিজে যুক্ত পুরোপুরিভাবে। এখন তো প্রযোজনাও নিজে করেন। তারমানে একেবারে স্বাধীনভাবে তিনি সেরা কাজটা করতে পারেন যেখানে আর্থিক জায়গা থেকেও তিনি কারো উপর নির্ভর করলেন না উনার সিনেমা ‘রোমা’ এর ক্ষেত্রে এবং সেটা কি পরিমাণ দর্শক প্রিয় এবং সমালোচকদের বাহবা পেয়েছে তা আমরা সব জায়গা থেকেই জানতে পারি। ডিস্টোপিয়ান একশন মুভির ক্ষেত্রে চিল্ড্রেন অফ মেন, স্পেস বা মহাকাশ বিষয়ক সিনেমার ক্ষেত্রে গ্রাফিটি আর সামাজিক জীবন, রাজনীতি, আত্মজীবনীর জায়গায় ‘রোমা’ আমার সব সময়ের প্রিয় সিনেমার তালিকায় থাকবে , এবং আপনার অনেকেই হয়তো আমার সাথে একমত হবেন অথবা যেকোন একটার ক্ষেত্রে তো একমত হবেনই। আর না হলেও, একবার হলেও দেখবেন এটা আশা করি। বা সমসাময়িক সিনেমার ক্ষেত্রে একজন লিজেন্ড তৈরির প্রক্রিয়াকে অনুধাবন করতে এই তিনটা সিনেমা দেখবেন। ২০০০ সাল থেকে ২০১৬ এর চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে বিবিসি এর ক্রিটিকদের ভোটে ১৩ তম অবস্থানে ছিলো আলফনসো কুয়ারনের সিনেমা ‘চিল্ড্রেন্স অব মেন’। আর যেকোন সাধারণ দর্শকেরও এই সিনেমা বুঝতে বা দল বেধে উপভোগ করতেও বিন্দুমাত্র সমস্যা হয় না। এই রকম সিনেমা আসলে কাল্ট সিনেমা হয়ে যায়, যেমন সাম্প্রতিক সময়ে হয়েছে বন জং হো এর ‘দ্যা প্যারাসাইট।’ এই জায়গাতেই সম্ভবতঃ অধিকাংশ পরিচালক পৌছাতে চান আর অধিকাংশ দর্শকরাও হয়তো তাই চান।

নিউজজি/নাসি

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers