মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, , ৫ জুমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

জীবনযাত্রা

যদি বন্ধু যাইবার চাও, ঘাড়ের গামছা থুইয়া যাও রে

নিউজজি ডেস্ক জানুয়ারী ১১, ২০১৮, ০০:৫৩:১৫

  • যদি বন্ধু যাইবার চাও, ঘাড়ের গামছা থুইয়া যাও রে

বাংলাদেশের যে কটি পণ্য বিশ্বনন্দিত, তার মধ্যে গামছাও অন্যতম।   তাঁতশিল্পের ঐতিহ্য গামছা, ফ্যাশনের বৃহৎ পরিসরে জায়গা করে নিয়েছে কয়েক দশক আগে থেকেই। গ্রামীণ চেক গামছার এই নতুন সংস্করণে মূল ভূমিকা পালন করেছে। তাদের প্রচেষ্টায় গামছা বিভিন্ন ধরনের পোশাকের মূল প্যাটার্ন হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

শুধু গরমকালেই না, গামছা এখন নানা প্রকারে জনপ্রিয় তার নিজস্বতায় সারা বছর জুড়েই। নরম সুতির কাপড়ে তৈরি বলে গামছা প্যাটার্নের কাপড় বেশ সহজেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তোয়ালের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত গামছার ফেব্রিক দিয়ে তৈরি হয় নানা ধরনের পোশাক। হাতের তৈরি গামছার প্যাটার্ন অন্য কাপড়েও ব্যবহার করতে দেখা যায়। গামছার প্যাটার্ন ও ডিজাইন দিয়ে করা শাড়ি এখন ফ্যাশন সচেতনদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

সাধারণত চেক ও স্ট্রাইপ নানাভাবে ব্যবহার করে ডিজাইন ফুটিয়ে তোলা হয়। লাল, কমলা ও সবুজ রঙ বেশি দেখা যায় গামছার প্যাটার্ন ফুটিয়ে তোলার জন্য। এ ছাড়া এখন নীল, সাদা, কালো প্রভৃতি রঙের সংমিশ্রণ দেখা যায় পোশাক বা শাড়িতে অভিনবত্ব ফুটিয়ে তোলার জন্য। অনেক ফ্যাশন হাউজের গামছা ফেব্রিকের ও প্যাটার্নের বিভিন্ন পোশাক। উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করেই মূলত ফেব্রিকগুলোর বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। কোনো কোনোটাতে ব্যবহার করা হয়েছে জরির সুতো।

সালোয়ার-কামিজ, কুর্তা, কটি, পাঞ্জাবি এমনকি শেরোয়ানি। ডিজাইন বৈচিত্র্যের মাধ্যমে গামছার পোশাকগুলোতে ফুটিয়ে তোলা হয় উৎসবের আমেজ। ক্যাজুয়াল বা পার্টি ড্রেস দু’ভাবেই ব্যবহার করা যাবে এসব গামছার আধুনিক ডিজাইনের পোশাক। পোশাক ছাড়াও তারা গামছা দিয়ে তৈরি করেছে বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ, স্যান্ডেল, মেয়েদের স্টাইলিশ টুপি, ছেলেদের উত্তরীয় ও গয়না। সেই সাথে ঘরের ব্যবহার্য বিভিন্ন অনুষঙ্গ যেমন পর্দার কাপড়, ল্যাম্পশেড, কুইল্ট, ডাইনিং টেবিলের রানার, প্লেসমেট প্রভৃতি পেয়ে যাবেন নগরীর বিভিন্ন কাপড়ের দোকানের নানান কালেকশন থেকে।

 

ছবি – ইন্টারনেট । 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2016 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers