সোমবার, ২২ জানুয়ারি ২০১৮, , ৪ জুমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

ফিচার
  >
আইনী সহায়তা

চেক ডিসঅনার-সংক্রান্ত আইন ও আলোচনা

এস এম শহীদুল হক ভূঁইয়া ১৪ মার্চ , ২০১৭, ১৮:৩৭:০৬

  • সংগৃহীত

ঢাকা: ১৮৮১ সনে প্রণীত Negotiable Instruments Act-এর ১৩৮-১৪১ ধারায় বর্ণিত বিধানাবলির আলোকেই মূলত চেক ডিসঅনার-সংক্রান্ত অপরাধের বিচার হয়ে থাকে। মূলত মূল আইনে চেক ডিসঅনার-সংক্রান্ত অপরাধের বিচারের কোনো বিধান ছিল না।

১৯৯৪ সনের ১২ সেপ্টেম্বর ১৯ নং আইন দ্বারা Negotiable Instruments Act-এ Chapter xvii নামে নতুন একটি অধ্যায় সংযুক্ত করে ১৩৮-১৩৯ নামীয় দুটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়। তা ছাড়া ১৪০ এবং ১৪১ ধারাদ্বয় ও এই অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২০০৬ সনের ৩ নং আইন দ্বারা এই অধ্যায়ে ১৩৮ এ নামক আর একটি নতুন ধারা সংযুক্ত করে এ সংক্রান্ত মামলার রায়ে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক আপিল দায়ের-সংক্রান্ত বিশেষ বিধান প্রবর্তন করা হয়।

চেক কী : চেক এক ধরনের হুন্ডি যা ব্যাংকের ওপর কাটা হয় এবং চাহিবামাত্র পরিশোধযোগ্য। এতে অবশ্যই ইস্যুকারীর স্বাক্ষর এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বা তার আদেশ মতো বা চেক বাহককে কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাংকের প্রতি নিঃশর্ত আদেশ থাকতে হয়।

কে চেক ইস্যু করতে পারে : যিনি ব্যাংকে বৈধভাবে হিসাব খুলে চেকবই প্রাপ্ত হন তিনিই নিজের বা অন্যের অনুকূলে তার হিসাব থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা উঠানোর লক্ষ্যে চেক ইস্যু করতে পারেন।

 চেকের মেয়াদ : চেকে উল্লেখিত ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে চেক নগদায়নের জন্য ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হয়। ৬ মাসের মধ্যে নগদায়নের জন্য উপস্থাপিত না হলে উক্ত চেক নগদায়নযোগ্য থাকে না।

নোটিশ : চেক প্রত্যাখ্যাত হলে ইস্যুকারী চেকে বর্ণিত টাকা ধারকের অনুকূলে পরিশোধ করতে বাধ্য। তবে এক্ষেত্রে চেকের ধারক ১৩৮ (১) (বি) ধারায় ৩০ দিনের সময় দিয়ে ইস্যুকারী বরাবরে নোটিশ দিতে হবে। মনে রাখতে হবে প্রত্যাখ্যানের ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ দিতে হবে, অন্যথায় নোটিশ তামাদি হয়ে যাবে এবং এ আইনে মামলা করা যাবে না। 

মামলা দায়ের : নোটিশ ইস্যু/প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে চেক দাতা গ্রহীতার অনুকূলে চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেক গ্রহীতা চেক দাতার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা দায়ের করবেন। ৩০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে এ আইনে আর মামলা করা যাবে না।

কোথায় মামলা দায়ের করতে হয় : তর্কিত চেক যে ব্যাংকে নগদায়নের জন্য উপস্থাপন করা হয় সেই ব্যাংক যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, চেক ডিসঅনারের মামলা তথাকার ক্ষমতা সম্পন্ন জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি আর মামলা হিসেবে দায়ের করতে হয়। যেমন : একটি চেক চট্টগ্রামে ইস্যু করা হয় কিন্তু চেক গ্রহীতা তা ঢাকা মহানগরীর কোনো ব্যাংকে নগদায়নের জন্য জমা দেওয়ার পর তা Dishonoured হলো। চেক গ্রহীতা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করতে হবে।

পাঠকের মন্তব্য

নাম: Nizam uddin Ahmed mohan
২০১৭-০৩-১৫ ০৯:১০:২৬
মন্তব্য: Shokol aaini date otibahito holey emonki dishonor na koreyo jodi sokol date expire hower porey oi chq dara ko o mamla kora jai kina? Janty chai

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2016 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers