সোমবার, ২২ জানুয়ারি ২০১৮, , ৪ জুমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

ফিচার
  >
বিচিত্র

উড়ন্ত ডাইনোসরের ডিমের স্তূপ !

নিউজজি ডেস্ক ২ ডিসেম্বর , ২০১৭, ১৬:০১:১৫

  • ছবি : ইন্টারনেট

ঢাকা: ডিমের এক ভাণ্ডার যেন! তাও আবার সব জীবাশ্ম হয়ে রয়েছে। এমনই অনেকগুলো ফসিল হওয়া ডিম মিলেছে চীনে। এগুলো প্রাগৈতিহাসিক যুগের উড়ন্ত ডাইনোসর পিটেসোরাসের ডিম। এবার বিজ্ঞানীরা বিলুপ্ত প্রাণীটি সম্পর্কে আরো গভীরভাবে জানতে পারবেন। ডাইনোসর যুগের পিটেসোরাস নিয়ে বিজ্ঞানীদের অনেক আগ্রহ। উড়তে পারার কারণে এরা অনেক বেশি আগ্রহ কেড়েছে।  

নতুন এক গবেষণায় বলা হয়, পিটেসোরাস হেমিপটেরাসের ২০০টিরও বেশি ডিম পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে ১৬টি ভ্রূণও জন্ম নিয়েছিল। তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার পর খুব বেশি তথ্য তাদের সম্পর্কে মেলেনি। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত টমোগ্রাফি স্ক্যানের মাধ্যমে এসব তথ্য মিলেছে।  

এবার হয়তো বোঝা যাবে যে, এই ডাইনোসর ডিম ফুটে বেরোনোর পরই উড়াল দিত কিনা।

আসলে পিটেসোরাসের তেমন জীবাশ্ম মেলে না। এর ডিমও তেমন সংরক্ষণ করতে পারেনি প্রকৃতি। কারণ এদের হাড় এবং ডিম খুবই ভঙ্গুর। এসব কারণে তাদের সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।  

এর আগে ২০০৪ সালে প্রথমবারের মতো পিটেসোরাসের ভ্রূণ মিলেছিল চীনে। কিন্তু সেই ডিম ও ভ্রূণ চাপে চ্যাপ্টা হয়ে যায়। তাই বোঝা যায়নি এটা কোন প্রজাতির পিটেসোরাস ছিল। আর্জেন্টিনায় পিটেসোডাস্ট্রো নামের আরেক ধরনের প্রাণীর ডিম পাওয়া যায়। ওটা রীতিমতো ত্রিমাত্রিক উপায়ে সংরক্ষিত হয়েছিল।  

তবে ২০১৪ সালে চীনের জীবাশ্মবিদরা পিটেসোরাস হ্যামিপটেরাসের শত শত হাড়গোড় ও ডিম খুঁজে পান বিজ্ঞানীরা। ওরা ১২০ মিলিয়ন বছর আগে ক্রিটাসিয়াস যুগে দাপিয়ে বেড়াতো।  

এখন চীন ও ব্রাজিলের বেশ কয়েকজন জীবাশ্মবিদ ডিমগুলো নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে তাদের বেড়ে ওঠার বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করছেন। অর্থাৎ, বিজ্ঞানীরা এক্স-রে ব্যবহার করে ডিম আর ভ্রূণের ভেতরটা পরিষ্কারভাবে দেখতে পারছেন। আশা করা যায়, অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে পিটেসোরাসের অজানা রহস্য।  

সূত্র : সিএনএন 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2016 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers