মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, , ৫ জুমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

শিল্প-সংস্কৃতি

সোনারগাঁও জাদুঘরে শুরু হলো মাসব্যাপী লোকজ উৎসব

ফারুক হোসেন শিহাব ১৪ জানুয়ারি , ২০১৮, ১৪:২০:২৭

  • ছবি- মহি উদ্দিন পাটওয়ারী

সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরে আজ ১৪ জানুয়ারি রোববার থেকে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব। বেলায় ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাসব্যাপী এ লোকজ আয়োজনের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, এমপি। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা ও সংস্কৃতি সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া। বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক রবীন্দ গোপ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। উদ্বোধন শেষে পরিবেশিত হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন। মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল গুরে দেখেন।

এবারের মেলার অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম মাধ্যম ‘কাঠের কারুশিল্পের প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন’ শিরোনামে প্রদর্শনী। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কারুশিল্পের প্রথিতযশা শিল্পীরা অংশ নিয়েছেন। মুড়ি-মুড়কির দোকান সাজিয়ে বসেছেন অনেকেই। অনেকেই দোকান সাজানোর জন্য ব্যস্ত। জাদুঘরে বেড়াতে আসা পর্যটকদের পদচারণায় এখন মুখরিত মেলাপ্রাঙ্গণ। 

জানা গেছে, বাংলাদেশের পল্লী অঞ্চল থেকে ৬০ জন কারুশিল্পী মেলায় অংশ নিচ্ছেন। তাদের জন্য ৩০টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট ও মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের শীতলপাটি, নওগাঁ ও মাগুরার শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাঁড়ি ও মুখোশ, ঢাকার শাঁখাশিল্প ও মৃতশিল্প, চট্টগ্রামের তালপাতার হাতপাখা, রংপুরের শতরঞ্জি, ঠাকুরগাঁয়ের বাঁশের কারুশিল্প, সোনারগাঁওয়ের এক কাঠের চিত্রিত হাতি, ঘোড়া, পুতুল ও কাঠের কারুশিল্প, নকশিকাঁথা, বেতের কারুশিল্প, কুমিল্লার তামা-কাঁসা-পিতলের কারুশিল্প, রাঙামাটি, বান্দারবান ও সিলেটের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কারুপণ্য, কিশোরগঞ্জের টেরাকোটা শিল্পসহ বিভিন্ন কারুপণ্য এ মেলায় স্থান পেয়েছে।

মেলায় কারুপণ্য প্রদর্শনীর ৩০টি স্টলসহ মোট ১৮০টি স্টল বরাদ্দ পেয়েছে। এদের মধ্যে হস্তশিল্প ৪৫টি, পোশাকের ৪৫টি, স্টেশনারি ও কসমেটিকস ৩৪টি, খাবার ও চটপটির স্টল ১৬টি, মিষ্টির স্টল ১০টি।

এ ছাড়া লোকজ নাটক, লোককাহিনীর যাত্রাপালা, বাউলগান, পালাগান, কবিগান, ভাওয়াইয়া ও ভাটিয়ালী গান, জারি-সারি ও হাছন রাজার গান, লালন সঙ্গীত, মাইজভাণ্ডারী গান, মুর্শিদী গান, আলকাপ গান, গায়ে হলুদের গান, বান্দরবান, বিরিশিরি, কমলগঞ্জের-মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শরিয়তি-মারফতি গান, ছড়াপাঠের আসর, পুঁথিপাঠ, গ্রামীণ খেলা, লাঠি খেলা, দোক খেলা, ঘুড়ি উড়ানো, লোকজ জীবন প্রদর্শনী, লোকজ গল্প বলা, পিঠা প্রদর্শনী ইত্যাদি থাকবে।

নিউজজি/এসএফ

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

copyright © 2016 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers