বুধবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৮, , ৬ জুমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

দেশ
  >
জনপদ

যশোরের ঝাঁপা বাওড়ে ভাসমান সেতু বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত

যশোর প্রতিনিধি ১৩ জানুয়ারি , ২০১৮, ১২:০০:৪৩

  • ছবি : নিউজজি

যশোর: মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের ঝাঁপার বাওড়ে দেশের সর্ব বৃহৎ ভাসমান সেতু দেখতে দু-পাড়ে হাজার হাজার দর্শনার্থী নারী পুরুষ ভিড় করছে।

শুক্রবার পড়ন্ত বিকেলে হাজার হাজার দর্শনার্থী সেতুর দিকে যেতেই দেখা গেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যানবাহন যোগে সেতুটি দেখার জন্য তারা এসেছে। বাজারের মসজিদ ঘাটের উপরের মাঠে দর্শনার্থীরা মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মটরসাইকেলসহ হরেক রকমের যানবাহন রেখেছে।

রাজগঞ্জে যেন নতুন স্টেশন তৈরি হয়েছে। একটু সামনে যেতেই শিশু, কিশোর ও নারী পুরুষের ভিড়। আরো সামনে চলছে সাদা পোশাকে সেতু পারাপারের টোল আদায়ের কাজ। সেখানে লোকের ভিড়ের সীমা নেই। পুরুষেরা ঠাসাঠাসি ও ঠেলাঠেলি করে আগে সেতুতে যেতে পারলেও বিপাকে পড়ছে মহিলারা। আর যারা পরিবারসহ এসেছেন, তাদের সেতুতে যেতে অনেকটা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

সেতুর উপর উঠতেই শুরু হয় ঠেলাঠেলি ও ঘেঁষাঘেষি। সেতুর উপর এত বেশি পরিমাণ ভিড় যে, এ-মাথা থেকে ও-মাথা পর্যন্ত যেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারণ একদিকে সেতু দেখতে আসা হাজার হাজার দর্শনার্থী অপরদিকে পথচারীদের পারাপার।

তবে সেতুর উপর এত বেশি পরিমাণ ভিড় হওয়ার কারণ হিসেবে দেখা গেছে, অধিকাংশ দর্শনাথী নারী পুরুষ কিংবা পরিবারের সদস্যরা সেতুর উপর দাঁড়িয়ে ছবি তোলাতে ব্যস্ত। আবার অনেক দর্শনার্থী সেতুর মাঝ পথের ওভার ব্রিজ স্থল উঁচু পেয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে সেতুর এ-মাথা ও-মাথা দেখার চেষ্টা করছে। যার কারণে সেতুর উপর এত বেশি ভিড় জমছে।

এদিকে, বিভিন্ন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে ও ভাসমান সেতুতে নিরাপত্তা দিতে সেতু পরিচালনা কর্তৃপক্ষ, সেতুর বিভিন্ন স্থানে সাদা পোশাকে লোক নিয়োগ রেখেছে। সেতুতে উঠার পর দর্শনার্থীদের কোনো প্রকার অসুবিধা হতেই দেখভাল করবেন তারা।

অপরদিকে, দেশের দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে সেতু দেখতে আসা অনেক দর্শনার্থীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমরা সেতুর ছবি বিভিন্ন পত্রিকা ও মিডিয়ায় দেখে আমরা আশ্চর্য হয়েছি। তাই সেতুটি দেখতে এসেছি। দেখে আমাদের খুবই ভালো লেগেছে।

এ বিষয়ে কথা হয় কজন দর্শনার্থীদের সাথে, তারা বলেন, আমরা দেশের অনেক জায়গায় গিয়েছি। অনেক ব্রিজসহ নানান জিনিস দেখেছি কিন্তু এমন দৃশ্যমান সেতু কোথাও দেখিনি।

দেখে যেন মনটা ভরে গেছে। তাড়াতাড়ি পরিবার পরিজন নিয়ে সেতু দেখতে আসবো। অনেক দর্শানার্থীর সাথে কথা হলে তারা এক যোগে বলেন, দৃশ্যমান কত প্রকার তার সবগুলো দৃশ্যই এই ভাসমান সেতুর মধ্যে রয়েছে। যা চোখের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। তারা আরো বলেন, এই সেতুটি যারা তৈরি করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই৷

 

নিউজজি/এসএম/এমকে

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

copyright © 2016 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers